bmtf ventilator

সফল ভেন্টিলেটর বানাল বাংলাদেশ মেশিন ‍টুলস ফ্যাক্টরী

সফল অল্টারনেটিভ ভেন্টিলেটর বানিয়ে আমাদের জন্য সুখবর বয়ে আনল বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী। করোনা ভাইরাসের মহামারি ছড়িয়ে পড়ায় সারাবিশ্বেই সবচেয়ে প্রয়োজনী যন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে ভেন্টিলেটর। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশও ভেন্টিলেটর সংকটে ভুগছে। আমাদের দেশে যা আছে তা একেবারেই অপ্রতুল। এই অবস্থায় আশার কথা জানাল বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)। তারা কনভেনশনাল ভেন্টিলেটরের বদলে অল্টারনেটিভ ভেন্টিলেটর উদ্ভাবন করেছে। সম্প্রতি ঢাকার সিএমএইচ হসপিটালে পরীক্ষামূলক ব্যবহারও করা হয়েছে এই ভেন্টিলেটরের।

বিএমটিএফ থেকে জানা যায়, দেশের বর্তমান আর্টিফিশিয়াল ভেন্টিলেটরের পরিসংখ্যান সংগ্রহের পর তাদেরকে বানানোর দায়িত্ব দেয়া হয়। ইন্জিনিয়ারদের সহযোগিতা নিয়ে দুই সপ্তাহের প্রচেষ্টায় কোভিড-১৯ রোগীদের আইসিইউ-তে ভেন্টিলেট করার মতো একটি প্রোভেন্টিলেটরে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়। মেকানিকাল ভেন্টিলেটর এ থাকা দুইজন রোগীর (করোনা আক্রান্ত নয়) উপর এর প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণে প্রয়োগও করা হয়। রোগীর পর্যবেক্ষণের সময় রোগীর সকল ভাইটাল প্যারামিটার সমুহ স্থিতিশীল পাওয়া যায়, যা অত্যন্ত উৎসাহ ব্যাঞ্জক। এই যন্ত্রটির কিছু ফাইন টিউনিং করা প্রয়োজন দেখা দেয় যা নিয়োজিত ইন্জিনিয়ারদের দ্বারা টিউনিং করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে দুই ঘন্টা BMTF এর এই ভেন্টিলেটর এর মাধ্যমে রোগীকে ভেন্টিলেট করা হয়। রাতেই আরো ছয় ঘন্টা এ প্রক্রিয়ায় ভেন্টিলেট করা হবে। bmtf ventilator

বিএমটিএফ কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতি সপ্তাহে ১ হাজার এই ধরনের ভেন্টিলেটর বানানো সম্ভব। এতে কভিড-১৯ রোগীদের জন্য এই ভেন্টিলেটরটি “কনভেনশনাল ভেন্টিলেটর” এর অবর্তমানে “বিকল্প ভেন্টিলেটর” হিসাবে কাজ করে অনেক রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হবে।

করোনাভাইরাস এর বিস্তার বৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের বর্তমান Artificial Ventilator এর পরিসংখ্যান সংগ্রহের পর BMTF কে Artificial Ventilator বানানোর দায়িত্ব দেয়া হয়। ইন্জিনিয়ারদের সহযোগিতা নিয়ে প্রায় ০২ সপ্তাহের প্রচেস্টায় BMTF কভিড-১৯ রোগীদের আইসোলেশন আইসিইউ-তে ভেন্টিলেট করার মত একটি প্রোভেন্টিলেটরে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ০২ ঘন্টা BMTF এর এই ভেন্টিলেটর এর মাধ্যমে রোগীকে ভেন্টিলেট করা হয়। আজ রাতেই আরো ০৬ ঘন্টা এ প্রক্রিয়ায় ভেন্টিলেট করা হবে।

রোগীর পর্যবেক্ষণের সময় রোগীর সকল ভাইটাল প্যারামিটার সমুহ স্থিতিশীল পাওয়া যায়, যা অত্যন্ত উৎসাহ ব্যাঞ্জক। এই যন্ত্রটির কিছু ফাইন টিউনিং করা প্রয়োজন দেখা দেয় যা নিয়োজিত ইন্জিনিয়ারদের দ্বারা টিউনিং করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন।

BMTF কর্তৃক ০১ সপ্তাহে ১০০০ টি এই ধরনের ভেন্টিলেটর বানানো সম্ভব। এতে কভিড-১৯ রোগীদের জন্য এই ভেন্টিলেটরটি কনভেনশনাল ভেন্টিলেটরের অবর্তমানে বিকল্প ভেন্টিলেটর হিসাবে কাজ করে অনেক রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হবে বলে মনে করেন বিএমটিএফ কর্তৃপক্ষ।

সফল অল্টারনেটিভ ভেন্টিলেটর বানিয়ে আমাদের জন্য সুখবর বয়ে আনল বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী

Gepostet von mediakhabor.com am Freitag, 17. April 2020

Check Also

৩০ মে পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *