Categories
মঞ্চ শিল্পকলা

ইউটিউবে দেখা যাবে মঞ্চ নাটক ক্রাচের কর্নেল

ঈদ উপলক্ষ্যে বটতলার ক্রাচের কর্নেল নাটকের প্রিমিয়ার প্রদর্শনী হবে। আগামীকাল রবিবার ২৫ মে তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় বটতলার ইউটিউব চ্যানেলে ক্রাচের কর্নেল নাটকের অনলাইন প্রদর্শনী হবে। শাহাদুজ্জামানের উপন্যাস অবলম্বনে ক্রাচের কর্নেলের নাট্যরূপ দিয়েছেন সৌম্য সরকার ও সামিনা লুৎফা এবং নির্দেশনা দিয়েছেন মোহাম্মদ আলী হায়দার ।

ক্রাচের কর্নেল' মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পা হারানো এক কর্নেলের জীবনের গল্প ‘ক্রাচের কর্নেল’। মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ কর্নেল আবু তাহেরের জীবনীভিত্তিক এ নাটক প্রসঙ্গে নিদের্শক মোহাম্মদ আলী হায়দার গণমাধ্যমে জানিয়েছেন ‘এক বা একাধিক স্বপ্নবাজ মানুষের গল্প এই নাটক। একটি সময় ও দুঃসময়ের গল্প। একটি স্থানের ও কালের গল্প হয়েও যা কেবল একটি স্থান ও কালের গল্প নয়।’

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ইমরান খান মুন্না, কাজী রোকসানা রুমা, সামিনা লুৎফা নিত্রা, তৌফিক হাসান ভূঁইয়া, বাকীরুল ইসলাম, পংকজ মজুমদার, ইভান রিয়াজ, সাঈদ, নাফিজ বিন্দু, সবুজ সরকার, মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, গোলাম মাহবুব মাসুম, নাফিউল আহমেদ প্রমুখ।

পোশাক পরিকল্পনা করেছেন হুমায়রা আখতার, কোরিওগ্রাফি করেছেন সামিনা লুৎফা নিত্রা, আলোকসজ্জা করেছেন খালিদ মাহমুদ সেজান। এছাড়া আবহসংগীত পরিকল্পনা করেছেন পিন্টু ঘোষ।

ক্রাচের কর্নেল নাটকটি দেখতে পাবেন এ লিঙ্কেঃ https://www.youtube.com/channel/UCVkYvX4P2T6QuzxBF6J_wEA

Categories
সঙ্গীত

নকশী কাঁথার ভিডিও চুরি বিদ্যা

নকশীকাঁথা ব্যান্ডের নতুন মিউজিক ভিডিও চুরি বিদ্যা ইউটউিবে প্রকাশিত হল। চোর ও চুরি বিদ্যা  সংক্রান্ত কিছু প্রবাদ নিয়ে নকশী কাঁথার ব্যান্ডের ভোকাল সাজেদ ফাতেমীর লেখা ও সুরে গানটি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লেজার ভিশন।

গানটির অডিও সিডি প্রকাশিত  হয় ২০১৬ সালে লেজার ভিশন থেকে। নকশী কাঁথার গান নামে অ্যালবামের এই গানটি সমসাময়িক  সময়ের প্রতিনিধিত্ব অন্যতম গান বলে বিবেচনা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।  গানটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শুটিং করা হয়েছে।

নকশী কাঁথার ভোকাল সাজদে ফাতেমী জানান, ‘গত চার বছর থেকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত আমাদের ব্যান্ডের সব কনর্সাটে  চুরি বিদ্যা গানটি গেয়েছি, সবখানেই এই গানের প্রশংসা পেয়েছি। আর দেশের এখনকার বাস্তবতায় গানটি অনেক বেশী প্রাসঙ্গিক । তিনি জানান , এই গান নকশীকাঁথার  পরিচিতি বাড়িয়ে দিয়েছে। গানটি ত্রাণ চুরি রোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে ভুমিকা রাখতে পারে। একটা চোর একবার চুরি করে যখন স্বাচ্ছন্দ্যে পালিয়ে  যায়, তখন বুঝতে পারে তার জন্য বাকি পথ সহজ হয়ে গেল। ব্যাস, ছিচকে চোর থেকে ধীরে ধীরে সে বড় চোর হয়ে ওঠে। খবরের কাগজে প্রায় দেখা যায় বাংলাদেশের সব পেশাতেই কমবেশী র্চৌযবৃত্তি চলছে। অনেকে  চাল, ডাল, গম চুরিকে রীতিমতশিল্পেরে পর্যায়ে নিয়ে গেছে যা নিয়ে প্রতিনিয়ত হাস্যকৌতুক করেন সাধারণ মানুষ।

Categories
ইভেন্ট সঙ্গীত

ভালো থাকো বাংলাদেশ কল্যাণময় ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় বাংলা লিংকের আয়োজন

বিশ্বাস রেখো মনে, হবে অপেক্ষার পালা শেষ, আসছে সুদিন অপার স্বাধীন, ভালো থাকো বাংলাদেশ।
নতুন মিউজিক ভিডিও ভালো থাকো বাংলাদেশ প্রকাশ করল বাংলা লিংক। ভালো থাকো বাংলাদেশ মিউজিক ভিডিওটিতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য চলমান সংকট কাটিয়ে সুদিনে ফেরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা। বাংলা নববর্ষ ১৪২৭ আগমনের বিশেষ মুহূর্তে সকলের জন্য কল্যাণময় ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় প্রকাশ করা হল মিউজিক ভিডিওটি।

‘ভালো থাকো বাংলাদেশ’ গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার রাসেল মাহমুদ ও সুর দিয়েছেন সুরকার আরাফাত মহসিন নিধি। জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী মিথিলা, মম, সাবিলা নূর, মারিয়া নূর, নাঈম, মনোজ, সজল ও মোর্শেদ মিশু এবং দেশখ্যাত সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার, কনা, শুভ, এলিটা করিম, নিধি, নন্দিতা ও তূর্য ঘরে অবস্থান করেই এই মিউজিক ভিডিওতে অংশগ্রহণ করেছেন।

নির্মাণে শিল্পীদের পাশাপাশি বাংলালিংককে সহায়তা করেছে সরকারের এটুআই প্রোগ্রাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউএনডিপি।

দর্শকেরা বাংলালিংক-এর অফিসিয়াল ফেসবুক, ইউটিউব, লিঙ্কডইন ও ইনস্টাগ্রাম পেজ ভিজিট করে মিউজিক ভিডিওটি উপভোগ করতে পারবেন।
ফেসবুক লিংক : https://bit.ly/3aaS3jE
ইউটিউব লিংক: https://bit.ly/2VsLFPw
লিংকড ইন লিংক: https://bit.ly/3exh6AW
টুইটার লিংক: https://bit.ly/2V9HFEv
ইনস্টাগ্রাম: https://bit.ly/2wKLoz6

বাংলালিংকের ব্র্যান্ডস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর কাজী উরফী আহমদ জানিয়েছেন, ‘আমরা সবাই এখন এক সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি পার করছি। এই পরিস্থিতির মাঝে সকলকে এই গানের মাধ্যমে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা মিউজিক ভিডিওটি তৈরি করেছি।

Categories
ইভেন্ট শিল্পকলা

নওশাবার আয়োজনে ঘরে বসে সৃজনশীল প্রতিযোগিতা

করোনা ভাইরাসের এই চরম দুঃসময়ে অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদের সংগঠন ‘টুগেদার উই ক্যান’ গৃহবন্দি মানুষের মনোবল বাড়াতে আয়োজন করেছে ঘরে বসে সৃজনশীল প্রতিযোগিতার। ‘আর্ট ফর টুগেদারনেস’ শীর্ষক এই আয়োজনের স্লোগান ‘দূরে থেকেও জুড়ে থাকি শিল্পের শক্তিতে’। পৃৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই ছোটগল্প, কবিতা, শিশু আঙিনা, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, ফটোগ্রাফি, চিত্রকর্ম-ভাস্কর্য ও অলংকরণ-কার্টুন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে। আর এগুলো নির্বাচন ও তত্ত্বাবধান করবেন দুই বাংলাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী শিল্পীরা।

এতে আছেন কলকাতার চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের গায়ক উপল সেনগুপ্ত, গৌরব চ্যাটার্জি, পাঞ্জাবি গায়ক রাজা কাশেফ, বাংলাদেশের নির্মাতা নূরুল আলম আতিক, দীপংকর দীপন, মেসবাউর রহমান সুমন, অভিনেত্রী বন্যা মির্জা, কার্টুনিস্ট আহসান হাবিব, মোর্শেদ মিশু, সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, আনিসুল হক, সংগীতশিল্পী শফি মন্ডল, রুবাইয়াত জাহান, হলিউডের অ্যানিমেটর ওয়াহিদ ইবনে রেজাসহ অনেকে। জানানো হয়, চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য বাছাই এবং দেখভাল করবেন শিল্পী শেখ আফজাল হোসেন, জামাল আহমেদ, কনকচাঁপা চাকমা, মোস্তফা পলাশ ও কলকাতার দেবদত্ত গাঙ্গুলি।

আলোকচিত্র দেখবেন মাহমুদ রহমান, সাজ্জাদ হোসেন, তাহসিন রহমান, শাহাদাত পারভেজ, নাসিফ ইমতিয়াজ ও কলকাতার মালা মুখার্জি।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই ও তত্ত্বাবধান করবেন নূরুল আলম আতিক, দীপংকর দীপন, কামাল বায়েজিদ, লিসা গাজী, মেসবাউর রহমান সুমন, কলকাতার অনির্বাণ চ্যাটার্জি ও অভিজিৎ চৌধুরী।

শিশু আঙিনার কিউরেটর হিসেবে আছেন সেলিনা হোসেন, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, আহসান হাবীব, মোহাম্মদ আলী হায়দার, বন্যা মির্জা, নবনীতা চৌধুরী, মুনিরুল ইসলাম, লুৎফর রহমান রিটন ও কলকাতার স্মারক রায়।

ছোটগল্প ও কবিতা বাছাই করবেন আনিসুল হক, রাশিদা সুলতানা, শাহজাহান সৌরভ, শুভাশিস সিনহা এবং কলকাতার সাদিক হোসেন ও অনির্বাণ মজুমদার।

কার্টুন ও অলংকরণে সব্যসাচী হাজরা, মোর্শেদ মিশু, রিশাম শাহাব তীর্থ, কলকাতার উপল সেনগুপ্ত, কানাডা থেকে ওয়াহিদ ইবনে রেজা।

সংগীত বাছাই ও তত্ত্বাবধানে আছেন শফি মন্ডল, রাফা, কলকাতার উপল সেনগুপ্ত, গৌরব চ্যাটার্জি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাসেল আলী, যুক্তরাজ্য থেকে রাজা কাশেফ ও রুবাইয়াত জাহান।

‘টুগেদার উই ক্যানের প্রতিষ্ঠাতা অভিনেত্রী নওশাবা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে আগ্রহীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আশা করি এই সময়ে আপনি আপনার শিল্পের শক্তি দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করবেন, যা আমরা সযত্নে রক্ষণাবেক্ষণ করব মানব সভ্যতার চূড়ান্ত অস্তিত্ব পরীক্ষার সময়কার শিল্পের দলিল হিসেবে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। যেখানে ‘আর্ট ফর টুগেদারনেস ২০২০’, ‘পাওয়ার অব আর্ট’ ও ‘আর্ট ইন দ্য টাইম অব করোনা’-এই তিনটি ভাগে সৃষ্টিকর্মগুলো স্থান পাবে।

এই প্লাটফর্মে চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, কার্টুন ও অলংকরণ, গান, যন্ত্রসংগীত, কবিতা, ছোটগল্প বা তিন মিনিটের চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে। সেই সঙ্গে শিশুরাও জমা দিতে পারবে তাদের তৈরি যে কোনো শিল্পকর্ম। সংগঠন থেকে বলা হয়েছে, নতুন একটি ভোরে এই নতুন শিল্পকর্মগুলো আমরা নিয়ে আসবো সবার সামনে। উপস্থাপন করব সবার সৃষ্টিকে এক ঐতিহাসিক শিল্প-দলিল হিসেবে।

মৌলিক ও অপ্রকাশিত শিল্পকর্মটি ২৯ এপ্রিল রাত ১২টার আগে পাঠাতে হবে art.for.togetherness@gmail.com ই-মেইলে। এতে অংশ নিতে পারবেন যেকোনও দেশের নাগরিক। শিল্পকর্মের সঙ্গে নাম, বয়স, জাতীয়তা ও শিল্পীর ছবি সংযুক্ত করতে হবে। নির্বাচিত শিল্পকর্ম নিয়ে সপ্তাহব্যাপী একটি প্রদর্শনীর আয়োজনের পরিকল্পনা তাদের। সেরা গল্প ও কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হবে বই। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, গান ও যন্ত্রসংগীত একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হবে।

Categories
নিউজ শিল্পকলা

লিয়াকত আলী লাকী পুনরায় তিন বছরের জন্য শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক

মিডিয়া খবর: – কাজী চপল

আবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে কাজ করবেন বর্তমান মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এই নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেন বাংলাদেশ গ্ৰুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সন্মানিত চেয়ারম্যান, লোক নাট্যদলের কর্ণধার অভিনেতা নির্দেশক লিয়াকত আলী লাকী। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রানালয়ের সচিব জনাব অলিউর রহমানের সাক্ষরিত এক পত্রে এ আদেশ দেয়া হয়। আজ থেকে তিন বছর পর্যন্ত এ পদায়ন পুনরায় বহাল করা হয়েছে। অভিনন্দন প্রিয় লাকী ভাই।

মঞ্চের সাথে লিয়াকত আলী লাকীর যুক্ততা এবং সখ্যতা তৈরী হয়েছে সেই শিশুকাল থেকেই। ১৯৬৪ সালে নিজ গ্রামের স্কুলে ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় থেকে নাটক করতে শুরু করেছেন তিনি। শিশুকাল থেকে নাটকের সাথে

যোগাযোগের সূত্রপাত ঘটে নিজেদের পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে অভিনয়ের মাধ্যমে। পরবর্তী সময়ে স্কুলের সহপাঠী ও অন্যান্য স্থানীয় বন্ধুবান্ধব সবাইকে একত্রিত করে দল গঠন করে কিশোর লাকী গ্রামে ঈদপার্বণসহ বিভিন্ন উৎসবে নাটকের নির্দেশনা ও অভিনয় করেন। এভাবে গড়ে তোলেন নিজস্ব নাট্যদল ‘বাসন্তী নাট্য সংঘ’। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত প্রায় ২৫টি নাটকে অভিনয় করেছেন এবং ২৩টি নাটকে নির্দেশনা দিয়েছেন। শৈশবে নাটক তৈরীতে কাহিনী সংগ্রহ করতেন নিজেদের পাঠ্যপুস্তকের বিভিন্ন গল্প কবিতা থেকে। পরবর্তীকালে কল্যাণ মিত্র, প্রসাদ বিশ্বাস, ফয়েজ আহমেদ, আব্দুল লতিফ, দিলীপ সরকার, ভৈরবনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, শৈলেন গুহ নিয়োগী, শম্ভু মিত্র, আসকার ইবনে শাইখের নাটক মঞ্চস্থ করেন। নাটক করার প্রবল বাসনা শিশুকাল থেকেই দানা বেঁধে বসে তাঁর হৃদয়ে। এভাবে নাটককে সত্বায় ধারণ করে ক্রমে শিশু লাকী শৈশব পেরিয়ে যৌবনে তারপর ধীরে ধীরে আজকের এই পূর্ণ সত্ত্বায় পরিণত হয়েছেন। আর শিশুকাল থেকে নাটকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকায় লিয়াকত আলী লাকী শিশু মনের গভীর থেকে উপলব্ধি করতে পারেন শিশুনাট্য আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা।

বাংলাদেশের স্তিমিত শিশু নাট্যচর্চায় প্রাণপ্রাচুর্য্য সঞ্চার করে বিশ্ব নাট্যসভায় শিশু নাটককে সম্মানের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের শিশু-কিশোর নাট্যান্দোলনের প্রধান পুরুষ শিশুদের বন্ধু লিয়াকত আলী লাকী। ১৯৫৩ সালের ১৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আগলা টিকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা শেখ সাদেক আলী এবং মাতা মাজেদা আলী। লিয়াকত আলী লাকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে সম্মানসহ মার্স্টাস সম্পন্ন করেন। ডিপ্লোমা অর্জন করেন গ্রন্থাগার বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পাশাপাশি জাপান দূতাবাস থেকে এক বছরের জাপানী ভাষা শিক্ষা কোর্স সম্পন্ন করেন। সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগী লিয়াকত আলী লাকী বুলবুল ললিতকলা একাডেমী থেকে উচ্চাঙ্গ সংগীতে ৫ বছরের সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময়ে একাধারে নতুন নতুন সুর সৃষ্টি, সংগীত রচনা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সকলের হৃদয়ে। এ প্রসঙ্গে লোক নাট্যদলের একযুগপূর্তি অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী সাহিত্যের সাবেক চেয়ারম্যান, জনাব লাকীর শিক্ষক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এর ব্যক্ত করা অনুভূতিটি স্মরণ করা যেতে পারে, “লাকী যদি শুধু সংগীতকেই ওর জীবনের সাথে ধরে রাখতো তাহলে শিল্পের এই ক্ষেত্রটি যথেষ্ট সমৃদ্ধি

Related image

পেত ওর হাতে।”আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে গভীরভাবে বিশ্বস্ত থেকে জনাব লিয়াকত আলী লাকী একাধারে নাট্যাভিনেতা, নাট্যনির্দেশক, নাট্যকার, সংগীতশিল্পী, সুরকার, সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে নিজের আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। এ পর্যন্ত তিনি অভিনয় করেছেন ৫৮টি নাটকে, নির্দেশনা দিয়েছেন ৮২টি, আর রচনা, রূপান্তর ও নাট্যরূপ দিয়েছেন ৮টি নাটক এর।১৯৮১ সালের ৬ জুলাই একদল শিক্ষিত তরুণ নিয়ে ‘লোক নাট্যদল’ প্রতিষ্ঠা করেন। আজ অবধি তিনি লোক নাট্যদলের অধিকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বাংলাদেশের নাটককে আন্তর্জাতিক আসরে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, নাটকের মাধ্যমে শিক্ষা ও সচেতনতা তৈরী করা, দেশে প্রথমবারের মত একটি নাট্য তথ্যব্যাংক স্থাপনসহ ৬টি কর্মসূচিকে সমন্বয় করতে ১৯৯০ সালে পিপল্স থিয়েটার এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে সহ-সভাপতি। ইন্টারন্যাশনাল এ্যামেচার থিয়েটার এসোসিয়েশন (ওঅঞঅ) বাংলাদেশ কেন্দ্রের প্রধান লিয়াকত আলী লাকী এশিয়ান রিজিওনাল কমিটির সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি আই.টি.আই বাংলাদেশ কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির সদস্য। লিয়াকত আলী লাকী বর্তমানে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার

Related image

ফেডারেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । ইতিপূর্বে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে তিনবার ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্যাপক কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে নাটকের ক্ষেত্রে নব জাগরণ সৃষ্টি করেছেন। ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে ৬৪টি জেলা থেকে সকল উপজেলায় এখন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম সম্প্রসারিত। তিনি সংস্কৃতিকর্মীদের সহায়তাকল্পে প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃতিকর্মী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। ডাকসু’র সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক লিয়াকত আলী লাকী ১৯৮২ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শতাধিক শিল্পী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল প্রতিষ্ঠা করে ব্যাপক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। নব পর্যায়ে আবৃত্তি, পথনাটক ও গণসংগীত প্রসারের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা তিনি। বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৩-১৯৮৭) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি আবৃত্তি আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। র‌্যাগ ডে’র পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালনের তিনি অন্যতম সংগঠক। চিলড্রেন ও ইয়ুথ কমিটির সদস্য তিনি।সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য লিয়াকত আলী লাকী ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক লাভ করেন।

১৯৯৮ সালে অজিত চট্টোপাধ্যায় স্মৃতিনাট্যপুরস্কার লাভ করেন। ‘কীড্স, চট্টগ্রাম’ কর্তৃক শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক হিসেবে ‘কীড্স পদক’ পান ১৯৯৯ সালে। ২০০০ সালে ইউনিক গ্রুপ স্বর্পপদক পান। একই সাথে থিয়েটার এ্যাম্বিশন বগুড়া তাঁকে ‘শিশু বন্ধু’ পদকে ভূষিত করে। শিশুকেন্দ্র, চট্টগ্রাম শিশু নাট্যকর্মকান্ডে অবদানের জন্য তাঁকে ‘শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক-২০০১’ পদকে ভূষিত করে। ২০০৩ সালে সুন্দরম, হবিগঞ্জ লিয়াকত আলী লাকী কে শিশু নাটকে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পদক প্রদান করে। শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক হিসেবে কলকাতা থেকে ‘সমলয়’ পুরস্কার লাভ করেন। পশ্চিমবঙ্গের বাংলার মুখ সংগঠন কর্তৃক প্রদত্ত দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (বাংলাদেশ)-র জন্য ‘বাংলার মুখ’ পুরস্কার লাভ করেন। আসিটেজ কর্তৃক ’আর্টিস্টিক এক্সেলেন্স ফর চিলড্রেন এন্ড ইয়ুথ থিয়েটার ২০১১’, ‘মুনীর চৌধুরী পদক ২০১৩’ ও ২০১৫ সালে ‘কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী সম্মাননা’ লাভ করেন।অভিনেতা হিসেবে লিয়াকত আলী লাকী অনন্যসাধারণ। ‘এ মিড সামার নাইট্স ড্রিম’ এ বটম, ‘অন্ধ নগরীর চৌপাট রাজায়’ গুরু, ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’ এ পুলিশ অফিসার, ‘হেলেন’ নাটকে মেনেসাওস, ‘কঞ্জুস’ এর কালা মিয়া, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ এর হোসেন মিয়া, ‘টেম্পেস্ট’ এর ট্রিংকালো, ‘সোনাই মাধব’ এর ভাবনা, ‘সিদ্ধিদাতা’ তে গুরু ও  ‘লীলাবতী আখ্যান’ এ বরাহ চরিত্রের অভিনয় অনবদ্য এবং দর্শকের স্মৃতিপটে অক্ষয় পদচিহ্ন এঁকেছেন।লিয়াকত আলী লাকী বাংলাদেশের একজন স্বকীয় ধারার অন্যতম নাট্য নির্দেশক। তার নির্দেশিত রথযাত্রা, পদ্মানদীর মাঝি, বিধি ও ব্যতিক্রম, কঞ্জুস, তপস্বী ও তরঙ্গিনী, হেলেন, সোনাই মাধব, সিদ্ধিদাতা, মহাপ্রয়ান, মধুমালা, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, মাঝরাতের মানুষেরা এবং শিশুদের নাটক সংহার, ববি, তাসের দেশ, বাজাও বিশ্ববীনা, সিন্ডারেলা, আলীবাবা, রূপবদলের রূপকথা, লালু, আমাদের পৃথিবী, রাস্তার ছেলে প্রভৃতি নাটক বাংলাদেশের নাট্যান্দোলনে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।

Related image


আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে লিয়াকত আলী লাকী’র রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি ১৯৮৪ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত গান্ধী শান্তি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের যুব সাংস্কৃতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৯৩ সালে মোনাকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসব, কর্মশালা এবং ২১তম আন্তর্জাতিক থিয়েটার কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯২ ও ১৯৯৩ সালে ভারতের দিল্লীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক থিয়েটার অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে মোনাকোতে অনুষ্ঠিত ২৩তম আন্তর্জাতিক থিয়েটার কংগ্রেসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বসহ আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসব ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২ সালে জার্মানির লিংগেন শহরে অনুষ্ঠিত যথাক্রমে তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম আন্তর্জাতিক শিশু নাট্য উৎসবে তাঁর নির্দেশিত ‘সংসার’, ‘ববি’ ও ‘লালু’ বিপুল প্রশংসা লাভ করে এবং তিনি বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৪ সালে জাপানের তইয়ামা শহরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান রিজিওনাল থিয়েটার সামিটে বাংলাদেশের

Related image

প্রতিনিধিত্ব করেন।১৯৯৮ সালের জুলাই মাসে কানাডার রাজধানী মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত আই.এ.টি.এর আর্টিস্টিক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় যোগদান করেন। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কোরিয়ার চুনচুন সিটি ও জাপানের তইয়ামায় আন্তর্জাতিক সেমিনার ও নাট্য উৎসবে যোগদান করেন। ২০০০ সালে জার্মানীতে এক্সপো হ্যানোভার ২০০০ এর কালচারাল ফেস্টিভ্যালে এবং বার্লিনের ডাহলেম মিউজিয়াম অডিটোরিয়ামে তাঁর নির্দেশিত ‘তাসের দেশ’ ও ‘বাজাও বিশ্ববীণা’ বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়। ঐ একই বছর জাপানের তইয়ামায় অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক শিশু নাট্য উৎসবে ‘রূপ বদলের রূপকথা’ ও ‘বাজাও বিশ্ববীণা’ বিপুল প্রশংসা অর্জন করে। ২০০১ সালে তুরস্কের ডেনিজলীতে অনুষ্ঠিত ১৭তম আন্তর্জাতিক এ্যামেচার থিয়েটার উৎসবে ‘রথযাত্রা’ বিপুলভাবে প্রসংশিত হয়।

লিয়াকত আলী লাকী নির্দেশিত ‘তপস্বী ও তরঙ্গিনী’ ২০০১ সালে মোনাকোতে অনুষ্ঠিত অ্যামেচার থিয়েটার উৎসবে এবং লন্ডনে ‘কঞ্জুস’ মঞ্চায়ন করে ভূয়সী প্রসংশা লাভ করে। এ সময় এ দল ইতালি ও ফ্রান্স ভ্রমণ করে। একই সময়ে আই.এ.টি.এর বাংলাদেশ কেন্দ্র পিপল্সথিয়েটার এসোসিয়েশন এর প্রধান লিয়াকত আলী লাকী মোনাকোতে অনুষ্ঠিত ২৪তম আন্তর্জাতিক থিয়েটার কংগ্রেসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পরের বছর ২০০২ সালে কোরিয়ার চুনচুন সিটিতে অনুষ্ঠিত নাট্যোৎসবে লোক

নাট্যদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন। উৎসবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রথাযাত্রা মঞ্চায়ন করে। ২০০২ সালে গ্রীসে অনুষ্ঠিত আই টি আই কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং মিউজিক থিয়েটার কমিটির সেক্রেটারী নির্বাচিত হন। একই সময়ে সুইডেনে ১০ দিনব্যাপী থিয়েটার কর্মশালায় যোগদান করেন। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত আমেরিকান এসোসিয়েশন অব কমিউনিটি থিয়েটার আয়োজিত ‘এএসিটি ওয়ার্ল্ড ফেস্ট’-এ লোক নাট্যদলের নেতৃত্ব দেন তিনি। এছাড়াও ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিদেশে থিয়েটার বিষয়ক অসংখ্য উৎসব, সিম্পোজিয়াম, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ ও পরিচালনা করতে লিয়াকত আলী লাকী যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, মোনাকো, হল্যান্ড, বেলজিয়াম, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, ডেনমার্ক, থাইল্যান্ড, কোরিয়া, জাপান, হংকং, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সুইডেন ও যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, লোক নাট্যদল, পিপল্স থিয়েটার এসোসিয়েশন, নাট্য তথ্যব্যাংক, অ্যামেচার থিয়েটার এসোসিয়েশন, পিপল্স লিট্ল থিয়েটার, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে লিয়াকত আলী লাকী জাতীয় সংস্কৃতিতে বিশেষ মাত্রা যোগ করে চলেছেন। বাংলাদেশের সকল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তি লিয়াকত

আলী লাকী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও সকল গণআন্দোলনে সংস্কৃতিকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা সহ অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের নব শিশু নাট্যান্দোলনের প্রধান পুরুষ লিয়াকত আলী লাকীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ২৫০টি শিশু নাট্যদল সংগঠিত হয়ে নিয়মিত নাট্যচর্চা করে চলেছে। ইন্টারন্যাশনাল এ্যামেচার থিয়েটার এসোসিয়েশনের বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্টার স্থাপনের প্রধান ব্যক্তি এবং ঐ এসোসিয়েশনের আর্টিস্টিক স্ট্যান্ডিং কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে লিয়াকত আলী লাকী এভাবেই আন্তর্জাতিক নাট্যক্ষেত্রে রেখে চলেছেন তার ঐতিহাসিক ভূমিকা।

শিল্পকলায় 'সোনাই মাধব' - Bhorer Kagoj


No photo description available.





Categories
ইভেন্ট নিউজ সঙ্গীত

ছায়ানটের ডিজিটাল বর্ষবরণ

পহেলা বৈশাখের ছায়ানটের আয়োজনটিকে ঘিরে পুরো ঢাকা শহরের মানুষ একত্রিত হয় রমনায়। নতুন পোষাকে জনস্রোত চলতে থাকে রমনা অভিমুখে। এবার আর তা হবে না করোনার কারনে। এবার সীমিত আকারে পয়লা বৈশাখের সকালে বাংলা বর্ষবরণ আয়োজন করতে যাচ্ছে ছায়ানট। তবে তা হবে ‍ডিজিটাল উপস্থাপনা।

রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের প্রভাতি আয়োজন শুরু ১৯৬৭ সাল থেকে। এরপর ১৯৭১ সাল ছাড়া প্রতি বছরই অনুষ্ঠিত হয়েছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।

২০০১ সালে ভয়ংকর সিরিজ বোমা হামলার পরের বছরও যে আয়োজন বন্ধ হয়নি। কিন্তু এবার করোনাভাইরাসের মোকাবিলা করতে বড় পরিসরে হচ্ছে না ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন। ‘উৎসব নয়, সময় এখন দুর্যোগ প্রতিরোধের’ এমন ট্যাগ লাইন দিয়ে ডিজিটাল উপস্থাপনার মাধ্যমে ছোট্ট আকারে বর্ষবরণের আয়োজন করেছে সংগঠনটি। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন।

বিবৃতিতে সনজীদা খাতুন বলেন, ‘পাকিস্তান আমলের বৈরী পরিবেশে বাঙালির আপন সত্ত্বার স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আর মানব কল্যাণের ব্রত নিয়ে ১৯৬১ সালে ছায়ানটের জন্ম। এই সংগঠন আজন্মই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ। তাই সীমিত আকারে পয়লা বৈশাখের সকালে বাংলা বর্ষবরণ আয়োজন করতে যাচ্ছে ছায়ানট।’

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিটিভির সহায়তায় পয়লা বৈশাখের (১৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে ১ ঘণ্টার একটি অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে। বরাবরের মতো সেখানে সনজীদা খাতুনের বক্তব্য থাকবে। এছাড়াও ছায়ানটের পূর্বের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের বেশ কিছু সংকলিত অংশ ও গান যুক্ত করা হবে।

আরো জানানো হয়, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে। রাষ্ট্রীয় এ চ্যানেলের কাছ থেকে সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল অনুষ্ঠানের ফ্রেশ ফিড পাবে। তাছাড়া ছায়ানটের ইউটিউব ও বিটিভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে।

Categories
ইভেন্ট সঙ্গীত

ক্যাফেটেরিয়া পেরিয়ে – পয়লা বৈশাখে শিরোনামহীন

ব্যান্ডদল শিরোনামহীনের অপ্রকাশিত গান ক্যাফেটেরিয়া পেরিয়ে মিউজিক ভিডিও আসছে নববর্ষে। দলটির প্রধান জিয়াউর রহমান গনমাধ্যমে জানিয়েছেন এ তথ্য। সম্প্রতি এর গল্পনির্ভর ভিডিও নির্মাণ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক আশরাফ শিশির। বুয়েট ক্যাম্পাস ও দীপ্ত টিভির নিজস্ব স্টুডিওতে ভিডিওটির শুটিং হয়। যেখানে দেখা যায় স্মৃতিময় এক ক্যাফেটেরিয়ার গল্প।
নির্মাতা আশরাফ শিশির বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারির এই সময়ে অঘোষিত লকডাউনের

Image may contain: Ashraf Shishir
আশরাফ শিশির।

আগেই আমরা শুটিং এবং হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে অনলাইনে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে গানটির পোস্ট প্রোডাকশন শেষ করেছি। এই কঠিন সময়ে গানটি শ্রোতা-দর্শকদের জীবনের স্বর্ণালি সময়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দেবে। এবারের নববর্ষে এটাই হোক সবার জন্য বিশেষ উপহার।’

এই কঠিন সময়ে গানটি শ্রোতা দর্শকদের জীবনের স্বর্ণালি সময়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দেবে

Image may contain: 1 person, standing
কাজী রাজু


গানটির কথা ও সুর করেছেন জিয়াউর রহমান জিয়া এবং অতিথি হিসেবে গিটার সলো বাজিয়েছেন অর্থহীন ব্যান্ডের গিটারিস্ট শিশির আহমেদ। সাউন্ড মিক্স করেছেন নয়েজ মাইনের শফিক এবং মাস্টার করেছেন রোমানো ইরাফিচ্চি (পোল্যান্ড)। জিয়াউর রহমানের চেলো এবং কাজী শাফিন আহমেদের সরোদ গানটিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


এই মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন অভিনেতা কাজী রাজু এবং বুয়েটের একদল শিক্ষার্থী। গানচিত্রটি ১৪ এপ্রিল উন্মুক্ত হচ্ছে ব্যান্ডের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে।

Shironamhin - We had a great experience with the Red... | Facebook
Categories
অনুষ্ঠান ইভেন্ট টেলিভিশন সঙ্গীত

গানবাংলার মিউজিক ফর পিস-এফবি লাইভে শাওন ও বাঁধন

করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে গান-কথায় সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গানবাংলা টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন ‘মিউজিক ফর পিস-এফবি লাইভ’।২৬ মার্চ থেকে প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লাইভ অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করছেন দেশ-বিদেশের জনপ্রিয় তারকারা।

গানবাংলা টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন মিউজিক ফর পিস-এফবি লাইভে
৭ এপ্রিল উপস্থিত হন অভিনেত্রী সংগীতশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন, অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, পারভেজ সাজ্জাদ, পূজা, নাদিয়া ডোরা, প্রত্যয় খান, নদী, নিলয়, তারেক তূর্য এবং তানজীব সরোয়ার।

সংগীত পরিচালক কৌশিক হোসেন তাপসের সঞ্চালনায় গান কথার এ আয়োজনে উপস্থিত হয়ে প্রত্যেক শিল্পীই করোনার এ দুর্যেোগে মানুষকে নিজের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মনের সুস্থতার প্রতিও যত্নবান হওয়ার আহবান জানান।

গানের শিল্পীদের মাঝে মধ্যমনি হয়ে ওঠা দুই তারকা শাওন ও বাঁধনের কথায় মিললো একই সুর। দু’জনই সন্তানদের সঙ্গে ঘরে বসেই সময় কাটাচ্ছেন। পরিবারকে সময় দেয়ার পাশাপাশি শাওন চর্চা করছেন নজরুল সংগীত। দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিতের কাছ থেকে পিয়ানোও শেখার পরিকল্পনা করছেন।
শাওনের মতে, গান শোনা, বই পড়াসহ মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে এই সময়টাকে যতোভাবে কাজে লাগানো যায় সকলের তাই করা উচিত।


বাঁধনের সময় কাটছে পরিবার ও কন্যা সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালনে। দুর্যোগে সকলের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ব্যক্তিজীবনে দন্ত চিকিৎসক এ তারকা পরামর্শ দিলেন পরিমিত ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মানবদেহের প্রয়োজনীয় ইমিউন সিস্টেম ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর।

শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়ার আহবান জানিয়ে বাঁধন বলেন, “এই সময়টায় শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আমাদের বিশেষ যত্নবান হতে হবে। তারা ভয় পেতে পারে। তারা খবর দেখছে, বড়দের কাছ থেকে শুনছে। করোনা ভাইরাসটি সম্পর্কে তাদেরও শোনান। তাদেরও পরিস্থিতিটা বুঝিয়ে বলুন, সচেতন করে তুলুন।”

বাঁধনের সাথে একমত হয়ে শাওন বলেন, “নিজেকে সময় দেয়ার পাশাপাশি আমি আমার দুই সন্তানকে সময় দিচ্ছি। বড় ছেলে নিষাদের হাতে তার বাবার (হুমায়ূন আহমদের) বইগুলো তুলে দিচ্ছি। ছোট ছেলেকে বাংলা শেখাচ্ছি। আমার মনে হয় এখনই সময় শিশুদের আরও বেশি মানবিক করে তোলার। আমি তাদের খাবার অপচয় না করতে পরামর্শ দিচ্ছি। এখন তারা বাড়তি খাবার নেয় না। প্রতিদিনই কিছু খাবার ছাদে গিয়ে কাককে খাওয়ায়। কিংবা বাড়তি খাবারগুলো দারওয়ানের মাধ্যমে বাইরের ভ্রাম্যমান অসহায় প্রাণীদের জন্য পৌঁছে যায়।”

অনুষ্ঠানে হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘শ্রাবণ মেঘ দিন’ চলচ্চিত্রের গান ‘সোয়াচান পাখি’ গানটি পরিবেশন করেন শাওন। প্রশ্ন আসে, বেঁচে থাকলে এই দুর্যোগে কি করতেন হুমায়ূন আহমেদ?

উত্তরে জনপ্রিয় এ কথা সাহিত্যিক ও নির্মাতার জীবনসঙ্গী শাওন বলেন, “এটা ঠিক হুমায়ূন থাকলে অনেক কথা সহজভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারতেন। যেটা আমরা বলবার চেষ্টা করছি, সরকার প্রধান থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পর্যন্ত যে কথাগুলো মানুষের কাছে পৌঁছাতে চেষ্টা করছেন সেগুলো খুব সাধারণভাবে পৌঁছে দিতে পারতেন।”

জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা ইউএনডিপি ও দেশের বৃহত্তর মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি রবি নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠান দুটিসহ গানবাংলা টেলিভিশনের ফেসবুক পেইজে প্রতিদিন উপভোগ করছেন প্রায় পৌনে দুই কোটি দর্শক।

–  রুদ্র হক

Categories
নিউজ শিল্পকলা

বিপর্যস্ত শিল্পী বাচাঁতে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার জন্য তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু

বিপর্যস্ত শিল্পী বাচাঁতে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এম পি মহোদয়ের সাথে আলাপ করে প্রাথমিক ভাবে বিভিন্ন মাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে সারাদেশের ৭৪২৭ জন তালিকা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সেক্রেটারি জেনারেল কামাল বায়েজীদ জানালেন এ বিষয়ে দ্রুত কাজ হচ্ছে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এম পি মহোদয়ের সাথে আলাপ করে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন মাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে সারাদেশের ৭৪২৭ জন তালিকা করা হয়েছে। আশা করি এ কাজ আরো এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা পাব।

সংষ্কুতি কর্মীরা বারবার তাদের জন্য অনুদানের আবেদন করে আসছেন। করোনা ভাইরাসের কারণে আমাদের জাতীয় জীবনে যে সংকট এসেছে তার মুখোমুখি সংস্কৃতিকর্মী এবং লোকশিল্পীগনও আছেন। তাদের আয়ের পথ আরো রুদ্ধ। সম্প্রতি তাদের জন্য প্রণোদনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন জানিয়ে জাতীয় ভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সমূহ একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন।

এদেশের সংস্কৃতিকর্মীরা প্রধানত সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সংস্কৃতি চর্চা করে থাকে। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে আজ কয়েক হাজার সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংস্কৃতি চর্চায় নিয়োজিত রয়েছে। এ সমস্ত দলের অধিকাংশ সদস্যই ছোট চাকুরি, ব্যবসা, টিউশনি করে জীবিকা নির্বাহ করে- আবার অনেকে রয়েছে ছাত্র এবং বেকার। করোনা সংকটের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই পরিবারগুলো ব্যাপক আর্থিক অনটনের মধ্যে দিনযাপন করছে। অপরদিকে বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার লোকশিল্পী অস্থিত্বের সংকটে নিমজ্জিত। এমনই পরিস্থিতিতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন মহাসংকটের মুখোমুখি। এমন অবস্থায় শিল্পী কলাকুশলীদের সহযোগিতার জন্য এগিয়ে এল সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় ।

Categories
চিত্রকলা শিল্পকলা

কে তুমি…..???? – সাঈদ খোন্দকার

কে তুমি…..????
…………………..
টমঃ গুরু, আমি কী একটা জরুরী প্রশ্ন করতে পারি ?
করোনাঃ বলো কী জানতে চাও !!
টমঃ—কে তুমি ???
করোনাঃ এখনো কী বুঝতে বাকি আছে, কে আমি ৷
আমিই অদৃশ্য এক সুপার পাওয়ার ৷!
টমঃ নিজেকে সুপার পাওয়ার বলছো কেন ?
করোনাঃ তোমাদের সুপার পাওয়ার যদি বলতো
“১ঘন্টার জন্য সারা পৃথিবীকে লকডাউন করতে হবে”
তবে কী কোন দেশ তা মানতো ? অথচ অদৃশ্য এই
আমি লকডাউন করে দিয়েছি যারা পৃথিবীকে ৷
টমঃ তবে কেন এতো মৃত্যু ?
করোনাঃ মৃত্যুর কথা ভুলেই গিয়েছিল এই ধরিত্রির মানুষ, রোগ দিয়েছি কিন্তু ঔষুধ নাই৷ কী ভয়ানক চিন্তা করেছো৷ আর মানুষ কেবল মৃত্যুকেই ভয় পায় ৷
টমঃ কবে থামবে ?
করোনাঃ যখন তখন, আমিতো মালিকের হুকুমের দাস মাত্র৷ আর এই পৃথিবীর মালিকতো একজনই ৷
টমঃ তবে যে মানুষ বলে,ল্যাবে নাকি তোমার জন্ম ?
করোনাঃ মানব শিশুর জন্ম যদি হাসপাতালে হয় তবে আমার জন্ম না হয় ল্যাবেই ৷
টমঃ আমদের জন্য কিছু একটা বলো ?
করোনাঃ দেশে দেশে যুদ্ধ, মানব হত্যা, মিথ্যাচার, পাপাচার যখন মানুষ বন্ধ করবে তখনই আমি থামবো। এখন ভাবো—
নিজেকে নিয়ে ,ভালোবাস মানুষকে আর স্মরণ করো তোমার শ্রষ্ঠাকে যাঁর প্রার্থনার দুয়ার এখনো তোমার জন্য খোলা”…..৷
বিঃ দ্রঃ এটা একটা কাল্পনিক সাক্ষাৎকার৷ কোনো মানুষের মনে আঘাত দেয়ার জন্য নয় ৷
কার্টুন — সাঈদ খোন্দকার ৷০৭/০৪/২০২০

No photo description available.