Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/mediakh/public_html/index.php:6) in /home/mediakh/public_html/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
আরো – মিডিয়া খবর https://www.mediakhabor.com know culture & heritage of Bangladesh Tue, 22 Dec 2020 17:15:29 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.7.1 https://www.mediakhabor.com/wp-content/uploads/2020/03/cropped-ICON-3-32x32.jpg আরো – মিডিয়া খবর https://www.mediakhabor.com 32 32 পরীমনি সবার আগে https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87/#respond Tue, 22 Dec 2020 23:08:02 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1762 সোশ্যালবেকারস ডটকম প্রকাশ করল বাংলাদেশের শীর্ষ ডিজিটাল তারকাদের নাম। ঢাকার শোবিজ অঙ্গনের মধ্যে এ তালিকায় সবার উপরে রয়েছে পরীমনির নাম। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান, তৃতীয় স্থানে নুসরাত ফারিয়া, চতুর্থস্থানে পূর্ণিমা এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত। মূলত ফেবুকে লাইক, ফলোয়ারস ও সোশ্যাল কর্মকাণ্ডের উপর ভিত্তি করে এ তালিকা করা …

The post পরীমনি সবার আগে appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
সোশ্যালবেকারস ডটকম প্রকাশ করল বাংলাদেশের শীর্ষ ডিজিটাল তারকাদের নাম। ঢাকার শোবিজ অঙ্গনের মধ্যে এ তালিকায় সবার উপরে রয়েছে পরীমনির নাম।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান, তৃতীয় স্থানে নুসরাত ফারিয়া, চতুর্থস্থানে পূর্ণিমা এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত। মূলত ফেবুকে লাইক, ফলোয়ারস ও সোশ্যাল কর্মকাণ্ডের উপর ভিত্তি করে এ তালিকা করা হয়েছে।

পরীমনির ফেসবুক পেজে লাইকের সংখ্যা ৮৯ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮১। তাহসানের লাইকের সংখ্যা ৮২ লাখ ৩১ হাজার ১২০। নুসরাত ফারিয়ার ফেসবুকে লাইকের সংখ্যা ৭০ লাখ।

এ তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকা পূর্ণিমার ফেসবুকে লাইকের সংখ্যা ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৫৮০। উপস্থাপক হানিফ সংকেতের ফেসবুকে লাইকের সংখ্যা ৪৪ লাখ।

তালিকায় ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন ‘ও প্রিয়া’ খ্যাত শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। যার ফেসবুকে লাইকের সংখ্যা ৩৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪০৭।

চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান রয়েছেন যথাক্রমে সপ্তম ও অষ্টম স্থানে। অপু বিশ্বাসের ফেসবুক পেজে লাইকের সংখ্যা ৩১ লাখ ২৫ হাজার ১৯০। অন্যদিকে শাকিব খানের পেজে রয়েছে ৩০ লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৩ লাইক। এখানে শাকিব খানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন অপু বিশ্বাস। নবম ও দশম স্থানে জায়গা পেয়েছেন সংগীতশিল্পী পড়শি ও অভিনেত্রী সাফা কবির। তাদের পেজে লাইকের সংখ্যা যথাক্রমে ৩০ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৬ ও ২৮ লাখ।

The post পরীমনি সবার আগে appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87/feed/ 0
বঙ্গবন্ধুর জন্য ভালবাসা https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be/#respond Mon, 17 Aug 2020 00:20:48 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1740 জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রবিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্মরণসভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন আসুন আমরা এই বলে প্রতিজ্ঞা করি, পিতা তোমায় কথা দিলাম, তোমার বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। এই বাংলার মানুষ যেন উন্নত জীবন পায় এবং বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে …

The post বঙ্গবন্ধুর জন্য ভালবাসা appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রবিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্মরণসভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন আসুন আমরা এই বলে প্রতিজ্ঞা করি, পিতা তোমায় কথা দিলাম, তোমার বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। এই বাংলার মানুষ যেন উন্নত জীবন পায় এবং বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে, সেই ব্যবস্থা আমরা করব। তুমি যে স্বপ্ন দেখেছিলে, তা বাস্তবায়ন করব।’

তিনি জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ‘জিয়া ক্ষমতায় থাকতে যা করে গেছে খালেদা জিয়াও ঠিক একই কাজ করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে জিয়ার ইন্দন ছিল। কর্নেল ফারুক তার ইন্টারভিউতে এ কথা স্বীকার করেছে। খন্দকার মোশতাক রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর জিয়াকে সেনাপ্রধান করল। খুনি-বেঈমান মোশতাক তিন মাসও ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। এটা কেন করেছে, তা সবাই বুঝতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তার সংযোগ ছিল, আঁতাত ছিল। খুনিদের বিদেশে চাকরি দিয়েছেন, তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। জিয়া ক্ষমতায় এসে হাজার হাজার সৈনিক ও আর্মি অফিসারকে হত্যা করেছেন। কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি। কেউ যদি প্রতিবাদ করত, তাকে আর জীবিত পাওয়া যেত না। প্রতিবাদ করার সঙ্গে সঙ্গে সাদা গাড়ি এসে তাকে তুলে নিয়ে যেত। এভাবে জিয়াউর রহমান এই দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়াও ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে খুনি কর্নেল রশিদ ও হুদাকে নির্বাচিত করে এনেছিল। রশিদকে তিনি বিরোধী দলের চেয়ারে বসিয়েছিলেন। এছাড়া খালেদা জিয়া অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে কত মানুষকে হত্যা করেছে, শত শত মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। খালেদার শাসনামলেও রাজনীতি করার মতো কোনো পরিস্থিতি ছিল না। তিনিও এসব হত্যার ইনডেমনিটি দিয়ে গেছে। এসব হত্যার বিচার করা যাবে না। এভাবে জিয়া এবং তার স্ত্রী এ দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ দেশের মানুষ শান্তি পেয়েছে। আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছু করেছে। আমাদের অনেক আশা ছিল, আমরা মুজিববর্ষকে অনাড়ম্বরভাবে উদযাপন করব কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তা সম্ভব হয়নি। দলীয় হাজার হাজার নেতাকর্মী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। করোনাভাইরাসের এই সময়ে মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করতে গিয়ে আমাদের আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’

তিনি বলেন, আমরা বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছি, মুজিববর্ষে এ কর্মসূচি আমাদের অব্যাহত থাকবে। এছাড়া এ দেশের একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না, প্রত্যেকটা মানুষ যেন তার বাসস্থান পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।

The post বঙ্গবন্ধুর জন্য ভালবাসা appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/ 0
আমার করোনা চিকিৎসা বৃত্তান্ত https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4/#respond Mon, 27 Jul 2020 18:30:57 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1736 কাজী চপলঃ- আপনাদের ভালবাসায় ৪ তারিখ থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে শাসকষ্টকে জয় করে বাসায় ফিরেছি। এখনো স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারিনি, চিকিৎসা চলছে। ডায়াবেটিস এবং ফুসফুসে ইনফেকশন থাকায় বোধ হয় ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিলাম। একটু একটু করে শ্বাস নিয়ে করোনাকে পরাজিত করে বেঁচে আছি আর এর চিকিৎসার জন্য মুগদা সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক ও …

The post আমার করোনা চিকিৎসা বৃত্তান্ত appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
কাজী চপলঃ-

আপনাদের ভালবাসায় ৪ তারিখ থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে শাসকষ্টকে জয় করে বাসায় ফিরেছি। এখনো স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারিনি, চিকিৎসা চলছে। ডায়াবেটিস এবং ফুসফুসে ইনফেকশন থাকায় বোধ হয় ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিলাম। একটু একটু করে শ্বাস নিয়ে করোনাকে পরাজিত করে বেঁচে আছি আর এর চিকিৎসার জন্য মুগদা সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের পেশাদারীত্ব ও মানবিকতার জন্য আমার অভিবাদন। কি চিকিৎসা আমাকে দেয়া হয়েছে মুগদায় তা আপনাদের জানাবার জন্য মুলত এ লেখা। করোনার কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নয় আমার অবস্থা ও লক্ষণ অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে চিকিৎসা চলেছে। বাসায় অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসার তোড়জোড় চলছিল, কিন্তু আমার বন্ধু মণি তার করোনার কঠিন অভিজ্ঞতা কথা বলে জোর করল হাসপাতালে যাবার জন্য। ৪ তারিখ রাতে এ্যাম্বুলেন্স ডেকে আমাকে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যান আমার সেজো ভাই, সঙ্গে শিলা। অনীক, সুস্মন, স্বনককেও দেখেছিলাম দুর থেকে ইমার্জেন্সি গেটে। বাল্যবন্ধু ডাঃ জাকিরের সাথে কথা বলে ভর্তি হয়ে গেলাম। কষ্টটা বাড়ছে, ছোট হয়ে আসছে ফুসফুস। ৪ বেডের বিশাল খোলামেলা একটা বড় ঘরের কোনার বিছানায় শুইয়ে দিয়ে মুখে অক্সিজেন মাস্ক দিয়ে দেয়া হল। অক্সিজেন পেয়ে মানসিক স্বস্থি বাড়ল। রাতে ৫টা ট্যাবলেট ক্যাপসুল খেতে দেয়া হল। মনটা শতভাগ সচল শুধু যুদ্ধ নিশ্বাস নেবার। সকালে ডাঃ এলেন, দেখলেন। বুকের এক্সরে ও রক্ত পরীক্ষা করালেন। হাতে ক্যানোলা পরান হল। নার্স এসে নাভীর গোড়ায় ক্লটিনেক্স ৪০ পুশ করলেন ফুসফুসে রক্ত জমাট না বাঁধার জন্য প্রতিদিন দুবেলা এটা নিতে হয়েছে আমাকে। হাতের ক্যানোলা দিয়ে সকাল সন্ধ্যা ধমনীতে দেয়া হল সেফটিকএ্যাকজেন, ডেক্সামেথাসন ও আরেকটি স্টেরয়েড। সেজে ভাই, রাজু, জাকির, মাহফুজ, জিয়া আর শিলা ছাড়া আর কারোর সাথে আমার কোন যোগাযোগ ছিল না, সম্ভবও ছিলনা। পরে অনেকের সাথে কথা হয়েছে। স্বজন ও বন্ধুরা খোজ নিয়েছেন, বাসায় শিশুদের দেখভাল করেছেন। কতকত নাম কারটা লিখব আর কারটাবা বাদ দেব। ১০ তারিখে আমার অবস্থার সামান্য পরিবর্তন দেখে বন্ধু ডাঃ জাকির তার সহকর্মীদের সাথে পরামর্শ করে নতুন আরেকটি এন্টিবায়োটিক মেরুপেনাম পুশ করার কথা জানাল। শিলাও ততদিনে শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুগদায় ভর্তি হয়েছে। বন্ধু জাকির আমাদের দুজনের জন্য একটা কেবিনের ব্যাবস্থা করে দিল। সেজে ভা এবার আমার কাশির জন্য যোগ হল ইনহেলার টিকামেট ও এ্যাজমাসল। লুজ মোশনের জন্য যোগ হল মেট্রোনিডাজল ও ওরস্যালাইন। এছাড়া প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় ছিল ইসোমিপ্রাজল, মোনাস, জিংক, ভিটামিন সি। কাশির জন্যে আবার যোগ হল ট্যাবলেট মোনার্চার ৬২৫, ট্যাবলেট কোর্টান ২০ এবং সিরাপ মোরাকফ (শুধুমাত্র এগুলো কিনতে হয়েছে বাইরে থেকে)। ১৬ তারিখের পর থেকে একটু করে ভাল লাগা শুরু হল, অস্বস্তি কমে এল। কাশিটা ভোগাচ্ছে বেশ। ২১ তারিখে চিকিৎসক বাসায় যেতে বললেন, বুকের ইনফেকশনের দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা চলবে জানালেন। এগুলো এখন খাচ্ছি- cap oreef, tab rivaxa, tab don A, cap sergel, tab monas, tab fexo, tab xinc b, inhealer bexitrol, syr mirakof. আর খেতে বলা হয়েছে আদা, লবঙ্গের চা এবং মধু নিয়মিত।
অনেকে ভাবেন হাসপাতালে করোনার কোন চিকিৎসা হয় না। তবে চিকিৎসকগন প্রয়োজনীয় ঔষধ ইনজেকশন দিয়ে আপনার ফুসফুসকে সচল রাখতে চেষ্টা করে যান। পিপিই পরা চিকিৎসকদের দেখলে এমনিতে মায়া হয়, কেমনে যে থাকে সারাদিন!

মুগদায় দেখলাম অসংখ্য সিট খালি, তার মানে চিকিৎসার জন্য সকলে হাসপাতালে আসছেনা । কাশীতে কষ্ট পেলে, শ্বাসকষ্ট হলে বা বুকে ব্যাথা ও চাপ অনুভব করলে হাসপাতালে যাবেন। আমি যেমন মুগদা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ওষুধ, ইন্জেকশন আর অফুরন্ত অক্সিজেন দিয়ে মুগদার এ চিকিৎসায় যাবতীয় ব্যায়ভার সরকারের। বেসরকারী হাসপাতালের ব্যাবসাকে সহায়তা না করে সরকারী হাসপতালের চিকিৎসকদের আন্তরিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠুন।
একটু চলাফেরাতে ক্লান্তি নামে আমার শরীরে। একটু কাশি একটু সামর্থ নিয়ে বাসায় আছি। আপনাদের ভালবাসার অঞ্জলি নিয়েই ভাল আছি। কৃতজ্ঞতা সকলের প্রতি। (একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা)

The post আমার করোনা চিকিৎসা বৃত্তান্ত appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4/feed/ 0
এই সময়ে শিশুর যত্ন নিন https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a8/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a8/#respond Thu, 23 Apr 2020 11:41:00 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1654 অস্বস্তিকর আবহাওয়া বিরাজ করছে, শুরু হচ্ছে ভ্যাপসা গরমের দিন।কখনোবা হঠাৎ নামছে বৃষ্টি। এই আবহাওয়ায় নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে কত কষ্ট হয় সকলের। শিশুদের প্রতি ভালভাবে যত্ন নেয়া প্রয়োজন। বড়দেরই বুঝতে হবে শিশৃদেরকখন কি প্রয়োজন। করোনার সময়ে এই গরমের দিনে কীভাবে আপনার শিশুকে সাহায্য করবেন খাপ খাইয়ে নিতে জেনে নিন। ১. মহামারী বা দুর্দশার সময়ে শিশুর …

The post এই সময়ে শিশুর যত্ন নিন appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
অস্বস্তিকর আবহাওয়া বিরাজ করছে, শুরু হচ্ছে ভ্যাপসা গরমের দিন।কখনোবা হঠাৎ নামছে বৃষ্টি। এই আবহাওয়ায় নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে কত কষ্ট হয় সকলের। শিশুদের প্রতি ভালভাবে যত্ন নেয়া প্রয়োজন। বড়দেরই বুঝতে হবে শিশৃদেরকখন কি প্রয়োজন। করোনার সময়ে এই গরমের দিনে কীভাবে আপনার শিশুকে সাহায্য করবেন খাপ খাইয়ে নিতে জেনে নিন।

১. মহামারী বা দুর্দশার সময়ে শিশুর দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। সে বিভিন্নভাবে পারিপার্শি্বক অবস্থার সাথে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হয়। ফলে তাদের মধ্যে উদ্বিগ্নতা, অতিরিক্ত রাগ, পরিবারের সদস্যদের থেকে নিজেকে লুকিয়ে রাখা, সারাক্ষণ নিশ্চুপ থাকা ইত্যাদি প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে আপনার শিশুর প্রতিক্রিয়াগুলোকে সহজভাবে নিয়ে তার কথাগুলো মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং যথাসম্ভব বেশি বেশি আদর করুন। তার দিকে একটু বেশি মনোযোগ দিন। যাতে সহজেই সে পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে পারে।

২. কঠিন সময়গুলোতে শিশুদের প্রচুর সময় দিন এবং ভালোবাসুন। নরমভাবে কথা বলুন এবং তাদের পুনরায় নিশ্চিত করুন যে, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। যদি সম্ভব হয় শিশুদের জন্য খেলাধুলার ব্যবস্থা করুন।

৩. আপনার শিশুকে সবসময় আপনার কাছে রাখুন। কখনোই পরিবার থেকে আলাদা রাখবেন না। যদি আলাদা রাখতে হয় (হাসপাতালে থাকলে), তাহলে তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন।

৪. প্রতিদিন রুটিন মাফিক খেলাধুলা, পড়াশোনা বা বিনোদনের ব্যবস্থা করুন।

৫. বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করুন। কিভাবে তারা এ রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। এ ব্যাপারে তাদের করণীয় সম্পর্কে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করুন। দরকার হলে নিজে করে দেখান।

৬. শিশুদের মানসিক অবস্থা ভালো রাখতে সব সময় তৎপর থাকুন। কেননা যেকোনো শিশুর মানসিক অবস্থার অবনতি জীবনে ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে। তাই মহামারীর সময়ে নিজেরা সচেতন থাকুন। শিশুদের দিকেও বাড়তি মনোযোগ দিন।

কয়েকটা বিষয় খেয়াল করা জরুরী

এসি বা ফ্যান

শিশুর জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক হয় এসি বা এয়ার কন্ডিশনার। তা না সম্ভব হলে ফ্যান সচল রাখুন শিশুর যত্ন নিতে। শুধু খেয়াল রাখবেন তাপমাত্রা এবং হিউমিডিটি যেন ঠিকমত নিয়ন্ত্রণে থাকে।

জানালা খোলা রাখুন

আপনার ঘরের জানালা খোলা রাখুন। এতে করে ঘরে সারাক্ষণ বাতাস চলাচল হবে। গুমোট আবহাওয়া তৈরি হবে না। তবে সন্ধ্যার আগে অবশ্যই জানালা লাগিয়ে দিন। এটি নির্ভর করে আপনি কোন এলাকায় বসবাস করছে এবং সেখানে মশার সংক্রমণ কেমন। সেই অনুযায়ী বন্ধ করে দিয়ে ঘন্টাখানেক পর খুলে দেবেন।

গোসল

গরমে হাঁপিয়ে উঠে আমরা যেমন বার বার গোসল করি তেমনি আপনার শিশুকেও দিনে অন্তত ২ বার গোসল করান। এছাড়া মাঝে মাঝে ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিন। এতে শিশু বেশ আরাম পাবে। তবে কখনো গোসলের পর শিশুর গায়ের পানি পুরোপুরি শুকনো করে মুছে দেবেন না। হালকা ভেজাভাব তাকে অতিরিক্ত গরমের সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

পানি

গরমের সাথে মানিয়ে নিতে শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকা খুবই জরুরি। শিশু যতই বিছানায় থাকুক, তারও গরম লাগে, ঘাম হয়। তাই তাকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করান। শুধু পানির বদলে পানি জাতীয় খাবার দিতে পারেন। প্রচুর ফল খেতে দিন। এতে শিশুর শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হবে। তবে শিশুকে জোর করে কিছুই খাওয়ানো উচিৎ নয়। বরং সময় নিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়ান।

হালকা পোশাক

শিশুকে গরমে কম্ফোর্টেবল রাখতে অবশ্যই হালকা রঙের পোশাক পরান। অনেক অভিভাবক শিশুদের কয়েকটি জামা পরিয়ে রাখেন। শিশুকে অনুষ্ঠানে জাকজমকভাবে প্রকাশের চেয়েও তার আরাম বেশী গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেদিকে নজর দিন।

সুস্থ থাকুন আপনি। একই সাথে নিশ্চিত করুন শিশুর সুস্থ থাকা। এই আবহাওয়ায় তাকে দিন বাড়তি যত্ন, দিন বাড়তি মনোযোগ। শিশুরা যেন মানসিক চাপমুক্ত ও সুস্থ জীবন-যাপন করতে পারে। সচেতনতাই আমাদের প্রধান হাতিয়ার।

The post এই সময়ে শিশুর যত্ন নিন appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a8/feed/ 0
জীবনানন্দ দাশঃ আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%83-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8-2/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%83-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8-2/#respond Mon, 20 Apr 2020 11:23:48 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1593 মিডিয়া খবর :- জীবনানন্দ দাশ (জন্ম: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯, বরিশাল – মৃত্যু: ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪, বঙ্গাব্দ: ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ – ৫ কার্তিক, ১৩৬১) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে যখন …

The post জীবনানন্দ দাশঃ আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
মিডিয়া খবর :-

জীবনানন্দ দাশ (জন্ম: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯, বরিশাল – মৃত্যু: ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪, বঙ্গাব্দ: ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ – ৫ কার্তিক, ১৩৬১) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে যখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম কবিতে পরিণত হয়েছেন। তিনি প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশ করেছেন। তবে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে অকাল মৃত্যুর আগে তিনি নিভৃতে ১৪টি উপন্যাস এবং ১০৮টি ছোটগল্প রচনা করেছেন যার একটিও তিনি জীবদ্দশায় প্রকাশ করেননি। তাঁর জীবন কেটেছে চরম দারিদ্রের মধ্যে। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকাল অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তাঁর প্রভাব মুদ্রিত হয়েছে। রবীন্দ্র-পরবর্তীকালে বাংলা ভাষার প্রধান কবি হিসাবে তিনি সর্বসাধারণ্যে স্বীকৃত।

তার কিছু কবিতা–

বনলতা সেন

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি ; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি ; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে ;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারি দিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য ; অতি দূর সমুদ্রের পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে ; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধ্যা আসে ; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল ;
পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
তথন গল্পের তরে জেনাকীর রঙে ঝিলমিল ;
সব পাখী ঘরে আসে – সব নদী – ফুরায় এ-জীবনের সব লেন দেন ;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

০২.

কুড়ি বছর পরে

আবার বছর কুড়ি পরে তার সাথে দেখা হয় যদি
আবার বছর কুড়ি পরে-
হয়তো ধানের ছড়ার পাশে-
কার্তিকের মাসে-
তখন সন্ধ্যার কাক ঘরে ফেরে – তখন হলুদ নদী
নরম নরম হয় শর কাশ হোগলায়- মাঠের ভিতরে!
অথবা নাইকো ধান ক্ষেতে আর,
ব্যস্ততা নাইকো আর,
হাঁসের নীড়ের থেকে খড়
পাখির নীড়ের থেকে খড়
ছড়াতেছে; মনিয়ার ঘরে রাত, শীত আর শিশিরের জল।
জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি, বছরের পার,-
তখন হঠাৎ যদি মেঠো পথে পাই আমি তোমারে আবার!
হয়তো এসেছে চাঁদ মাঝরাতে একরাশ পাতার পিছনে
সরু -সরু কালো-কালো ডালপালা মুখ নিয়ে তার,
শিরীষের অথবা জামের,
ঝাউয়ের-আমের;
কুড়ি বছরের পরে তখন তোমারে নাই মনে!
জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার-
তখন আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার!
তখন হয়তো মাঠে হামাগুড়ি দিয়ে পেঁচা নামে-
বাবলার গলির অন্ধকারে
অশথের জানালার ফাঁকে
কোথায় লুকায় আপনাকে!
চোখের পাতার মতো নেমে চুপি কোথায় চিলের ডানা থামে।
সোনালি সোনালি চিল- শিশির শিকার করে নিয়ে গেছে তারে-
কুড়ি বছরের পরে সেই কুয়াশায় পাই যদি হঠাৎ তোমারে!

০৩.

ঘাস

কচি লেবুপাতার মতো নরম সবুজ আলোয়
পুথিবী ভরে গিয়েছে এই ভোরের বেলা;
কাঁচা বাতাবির মতো সবুজ ঘাস-তেমনি সুঘ্রাণ-
হরিণেরা দাঁত দিয়ে ছিড়ে নিচ্ছে।
আমারো ইচ্ছা করে এই ঘাসের এই ঘ্রাণ হরিৎ মদের মতো
গেলাসে – গেলাসে পান করি,
এই ঘাসের শরীর ছানি- চোখে চোখে ঘষি,
ঘাষের পাখনায় আমার পালক,
ঘাষের ভিতর ঘাস হয়ে জন্মাই কোন এক নিবিড় ঘাস-মাতার
শরীরের সুস্বাদ অন্ধকার থেকে নেমে।

০৪.

হাওয়ার রাত

গভীর হাওয়ার রাত ছিল কাল- অসংখ্য নক্ষত্রের রাত;
সারারাত বিস্তীর্ণ হাওয়া আমার মশারিতে খেলেছে;
মশারিটা ফুলে উঠেছে কখনো মৌসুমী সমুদ্রের পেটের মতো,
কখনো বিছানা ছিঁড়ে
নক্ষত্রের দিকে উড়ে যেতে চেয়েছে,
এক-একবার মনে হচ্ছিল আমার- আধো ঘুমের ভিতর হয়তো-
মাথার উপরে মশারি নেই আমার
স্বাতী তারার কোল ঘেঁসে নীল হাওয়ার সমুদ্রে শাদা বকের মতো উড়ছে সে!
কাল এমন চমৎকার রাত ছিল।
সমস্ত মৃত নক্ষত্রেরা কাল জেগে উঠেছিল-আকাশে একতিল ফাঁক ছিল না;
পৃথিবীর সমস্ত ধূসরপ্রিয় মৃতদের মুখও সেই নক্ষত্রের ভিতর দেখেছি আমি;
অন্ধকার রাতে অশ্বত্থের চুড়ায় প্রেমিক চিলপুরুষের শিশির – ভেজা চোখের মতো
ঝলমল করছিল সমস্ত নক্ষত্রেরা;
জোছনারাতে বেবিলনের রানির ঘাড়ের ওপর চিতার উজ্জ্বল চামড়ার
শালের মতো জ্বলজ্বল করছিল বিশাল আকাশ!
কাল এমন আশ্চর্য রাত ছিল।

যে নক্ষত্রেরা আকাশের্ বুকে হাজার-হাজার বছর আগে ম’রে গিয়েছে
তারাও কাল জানালার থিবর দিয়ে অসংখ্য মৃত আকাশ সঙ্গে করে এনেছে
যে রুপসীদের আমি এশিরিয়ায়, মিশরে বিদিশায় ম’রে যেতে দেখেছি
কাল তারা অতিদূরে আকাশের সীমানায় কুয়াশায় কুয়াশায় দীর্ঘ বর্শা হাতে করে
কাতারে কাতারে দাঁড়িয়ে গেছে যেন-
মৃত্যুকে দলিত করবার জন্য?
জীবনের গভীর জয় প্রকাশ করবার জন্য?
প্রেমের ভয়াবহ গম্ভীর স্তম্ভ তুলবার জন্য?
আড়ষ্ট- অভিভূত হয়ে গেছি আমি,
কাল রাতের প্রবল নীল অত্যাচার আমাকে ছিঁড়ে ফেলেছে যেন;
আকাশের বিরামহীন বিস্তৃর্ণ ডানার ভিতর
পৃথিবী কিটের মতো মুছে গিয়েছে কাল!
আর উত্তুঙ্গ বাতাস এসেছে আকাশের বুক থেকে নেমে
আমার জানালার ভিতর দিয়ে, শাঁই শাঁই করে,
সিংহের হুঙ্কারে উৎক্ষিপ্ত হরিৎ প্রান্তরের অজস্র জেব্রার মতো!
হৃদয় ভরে গিয়েছে আমার বিস্তীর্ণ ফেল্টের সবুজ ঘাসের গন্ধে,
দিগন্ত-প্লাবিত বলীয়ান রৌদ্রের আঘ্রাণে
মিলনোন্মত্ত বাঘিনীর গর্জনের মতো অন্ধকারের চঞ্চল বিরাট সজীব রোমশ উচ্ছ্বাসে,
জীবনের দুর্দান্ত নীল মত্ততায়!

আমার হৃদয় পৃথিবী ছিঁড়ে উড়ে গেল,
নীল হাওয়ার সমুদ্রে স্ফীত মাতাল বেলুনের মতো গেল উড়ে,
একটা দূর নক্ষত্রের মাস্তুলকে তারায়-তারায় উড়িয়ে দিয়ে চলল
একটা দুরন্ত শুকনের মতো।

০৫.

আমি যদি হতাম

আমি যদি হতাম বনহংস;
বনহংসী হতে যদি তুমি;
কোন এক দিগন্তের জলসিঁড়ি নদীর ধারে
ধানক্ষেতের কাছে
ছিপছিপে শবের ভিতর
এক নিরালা নীড়ে,
তাহলে আজ এই ফাল্গুনের রাতে
ঝাউয়ের শাখার পেছনে চাঁদ উঠতে দেখে
আমরা নিম্নভূমির জলের গন্ধ ছেড়ে
আকাশের রুপালী শস্যের ভিতর গা ভাসিয়ে দিতাম-
তোমার পাখনায় আমার পালক, আমার পাখনায় তোমার রক্তের স্পন্দন-
নীল আকাশে খইক্ষেতের সোনালী ফুলের মতো অজস্র তারা,
শিরীষ বনের সবুজ রোমশ নীড়ে
সোনালী ডিমের মতো
ফাল্গুনের চাঁদ।

হয়তো গুলির শব্দ;
আমাদের তীর্যক গতিস্রোত,
আমাদের পাখায় পিস্টনের উল্লাস,
আমাদের কন্ঠে উত্তর হাওয়ার গান!
হয়তো গুলির শব্দ আবার :
আমাদের স্তব্ধতা,
আমাদের শান্তি।
আজকের জীবনের এই টুকরো টুকরো মৃত্যু আর থাকত না;
থাকত না আজকের জীবনের টুকরো টুকরো সাধের ব্যর্থতা ও অন্ধকার;
আমি যদি বনহংস হতাম,
বনহংসী হতে যদি তুমি;
কোন এক দিগন্তের জলসিঁড়ি নদীর ধারে
ধানক্ষেতের কাছে।

0৬

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই – প্রীতি নেই – করুণার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি
এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক ব’লে মনে হয়
মহত্‍‌ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।

 ০৭

আবার আসিব ফিরে

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে – এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয় – হয়তো বা শাঁখচিল শালিকের বেশে,
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিঁকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব কাঁঠাল ছায়ায়।
হয়তো বা হাঁস হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়
সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে
জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়।

হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে।
হয়তো শুনিবে এক লক্ষীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে।
হয়তো খৈয়ের ধান সরাতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে।
রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে
ডিঙ্গা বায় – রাঙ্গা মেঘে সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে,
দেখিবে ধবল বক; আমারে পাবে তুমি ইহাদের ভীড়ে।

 ০৮

হায় চিল

হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদোনাকো উড়ে উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে!
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে।
পৃথিবীর রাঙ্গা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো?
কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!

হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদোনাকো উড়ে উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে!

The post জীবনানন্দ দাশঃ আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%83-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8-2/feed/ 0
ঘরে তৈরী কাঁচকলার চিপস https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8/#respond Mon, 20 Apr 2020 10:51:57 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1590 চিপস কতোটা স্বাস্থ্যসম্মত, সেটা নিয়ে সব মায়েরাই চিন্তায় থাকে। বাসায় পুষ্টিকর উপকরণ দিয়ে খুব সহজে কিন্তু মুচমুচে চিপস বানিয়ে নেওয়া যায়। কাঁচকলা এমন একটি সবজি, যা সহজলভ্য এবং শরীরের জন্য অনেক বেশী উপকারি। মুচমুচে কাঁচকলার চিপস খেতে বেশ ভালোই লাগে! পরিবারের সবার স্বাস্থ্যের দিকটাও তো চিন্তা করতে হবে, তাই না? বিকালের নাশতায় কী ধরনের স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস তৈরি …

The post ঘরে তৈরী কাঁচকলার চিপস appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
চিপস কতোটা স্বাস্থ্যসম্মত, সেটা নিয়ে সব মায়েরাই চিন্তায় থাকে। বাসায় পুষ্টিকর উপকরণ দিয়ে খুব সহজে কিন্তু মুচমুচে চিপস বানিয়ে নেওয়া যায়। কাঁচকলা এমন একটি সবজি, যা সহজলভ্য এবং শরীরের জন্য অনেক বেশী উপকারি। মুচমুচে কাঁচকলার চিপস খেতে বেশ ভালোই লাগে! পরিবারের সবার স্বাস্থ্যের দিকটাও তো চিন্তা করতে হবে, তাই না? বিকালের নাশতায় কী ধরনের স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস তৈরি করা যায়, এটা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। অল্প সময়ে ঝামেলাবিহীন উপায়ে বানিয়ে নেওয়া যায় কাঁচকলার চিপস, বানানোর রেসিপিটি জেনে নিন!

কাঁচকলার চিপস তৈরির পদ্ধতি

উপকরণ

  • কাঁচকলা- ২টি
  • লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
  • হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
  • লালমরিচের গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
  • বেসন- ১/২ কাপ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার- ২ চা চামচ
  • জিরা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
  • গোলমরিচের গুঁড়া- সামান্য
  • তেল– ভাজার জন্য

প্রস্তুত প্রণালী

১) প্রথমে কাঁচকলাগুলো পাতলা পাতলা স্লাইসে গোল করে কেটে নিন। কাটার সাথে সাথে লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। এভাবে মাখিয়ে না রাখলে খুব দ্রুতই কাঁচকলা কালো হয়ে যায়!

২) এবার একটি পাত্রে হলুদ গুঁড়া, লালমরিচের গুঁড়া, জিরা গুঁড়া ও কর্ন ফ্লাওয়ার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

৩) সামান্য একটু পানি দিয়ে বেসন গুলিয়ে নিন এবং এটি ঐ মসলার মিশ্রণে ঢেলে দিন। সামান্য লবণ দিয়ে সব উপকরণগুলো মিক্স করে ফেলুন।

৪) তারপর গোল গোল করে কেটে রাখা কাঁচকলাগুলো এই মিশ্রণে দিয়ে দিন এবং ভালোভাবে কোটিং করে নিন। অর্থাৎ কাঁচকলার সাথে মসলাগুলো যেন ভালো করে লেগে যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৫) প্যানে তেল গরম করতে দিন। (ডুবো তেলে মুচমুচে করে ভেজে নিতে হবে। তেলে না ভেজে ওভেনেও বেক করে নিতে পারেন)

৬) গরম তেলে একে একে কাঁচকলার চিপসগুলো দিয়ে দিন এবং বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে থাকুন।

৭) ভাজা হয়ে গেলে চিপসগুলো কিচেন টিস্যুতে তুলে রাখুন যাতে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। এবার উপর থেকে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিন।

হয়ে গেলো কাঁচকলার চিপস ! রেসিপিটা খুব সহজ, বিকেলে চায়ের আড্ডাতে কিংবা শিশুদের নাস্তায় এই খাবারটি রাখতে পারেন। ছোটবড় সকলেই কিন্তু বেশ মজা করেই খাবে! হাতের কাছে উপকরণগুলো থাকলে আজই বানিয়ে নিন কাঁচকলার চিপস।

The post ঘরে তৈরী কাঁচকলার চিপস appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8/feed/ 0
করোনাকালে মানসিক স্বাস্থ্য অটুট রাখবেন যেভাবে https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5/#respond Sat, 18 Apr 2020 21:45:37 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1574 ইশরাত শাহনাজ বর্তমানে এক ভয়াবহ আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাসটি বিশ্বের সব দেশের মানুষকে আক্রান্ত করে বৈশ্বিক পরিস্থিতি দুর্যোগময় করে তুলেছে। এমনকি প্রতিনিয়ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে চলেছে আশঙ্কাজনক হারে। এখন পর্যন্ত এই মহামারির প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। বিশ্ববাসী কবে এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রান পাবে তারও কোনো …

The post করোনাকালে মানসিক স্বাস্থ্য অটুট রাখবেন যেভাবে appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
ইশরাত শাহনাজ

বর্তমানে এক ভয়াবহ আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাসটি বিশ্বের সব দেশের মানুষকে আক্রান্ত করে বৈশ্বিক পরিস্থিতি দুর্যোগময় করে তুলেছে। এমনকি প্রতিনিয়ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে চলেছে আশঙ্কাজনক হারে। এখন পর্যন্ত এই মহামারির প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। বিশ্ববাসী কবে এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রান পাবে তারও কোনো নিশ্চয়তা আপাতত নেই। এমতাবস্থায় এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা ও ভয় হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তবে এই দুশ্চিন্তা বা ভয় যেন আমাদের স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ব্যাঘাত না ঘটায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাই এগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে করতে হবে মনের চর্চা।

করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রায় সকলেই আমরা গৃহবন্দি। কেঊ বাসা থেকেই অফিস করছি, পড়াশোনা করছি, বা ঘরের কাজ করছি। সব কিছুই করছি মানসিক চাপ নিয়ে। কারো জন্য এই চাপ বেশি মাত্রায় কাজ করছে, কারো জন্য কম মাত্রায় কাজ করছে। এই মানসিক চাপ সীমিত মাত্রায় রেখে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কাজে মনোনিবেশ করতে হবে, আর নিতে হবে মনের যত্ন।

এই কঠিন সময়ে মানসিক স্বাস্থ্য অক্ষুন্ন রাখতে যা যা করা যেতে পারে-

১। প্রতিদিনের মৌলিক কাজগুলো যেমন: ঘুম, খাওয়া, বিশ্রামের পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট সময় বের করে করা যেতে পারে ইয়োগা বা যোগাসন। অনেক যোগাসন আছে যা প্রতিদিন চর্চা করলে মন শান্ত করতে, শরীর ফুরফুরে করতে ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়মিত শরীরচর্চা আপনার উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করবে।

২। যোগাসনের পাশাপাশি মাইন্ডফুলনেস বা মনোযোগিতার চর্চাও করতে পারেন যা আপনাকে বর্তমান সময়ের ব্যাপারে সচেতন ও সজাগ থাকতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে আপনি যে কাজটিই করবেন তাতে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে এবং সেই বর্তমান মুহূর্তটিতে যা ঘটছে তা সম্পূর্ণভাবে অনুভব করতে হবে।

৩। নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে কমিয়ে বেশি বেশি ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। যেমন এখন আমি কী করবো, আমি তো আর বাঁচবো না বা এই করোনা আমার কিছুই করতে পারবে না- এসব চিন্তা বাদ দিয়ে কীভাবে করোনা প্রতিরোধের পদক্ষেপগুলো ঠিকমত মেনে চলে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবো এবং অন্যকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবো চিন্তা করতে হবে।

৪। যদি কখনো উত্তেজনা, উদ্বেগ বা অস্থিরতা অনুভব করেন, তখন গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। পেটের উপর একটি হাত রেখে পেট ফুলিয়ে নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে হবে এবং মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়তে হবে যেন পেট থেকে সব বাতাস বের হয়ে যায়। এভাবে ৩-১০ বার করতে হবে। এটি আপনার মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেন এর সঞ্চালন বৃদ্ধি করবে যা আপনার উত্তেজনা ও অস্থিরতা কমিয়ে দিবে।

৫। স্বাভাবিক কাজ-কর্ম চালিয়ে যেতে হবে। তার সাথে পরিবারের সদস্যদের সাথে বেশি বেশি সময় কাটাতে পারেন। নিজের পছন্দনীয় কাজগুলো যা পড়াশোনা বা অফিসের অতিরিক্ত কাজের চাপে করা হয়ে ওঠে না, সে কাজগুলো করতে পারেন। পেইন্টিংস, গল্পের বই পড়া, মুভি দেখা, সেলাই, সংগীতচর্চা, গাছের পরিচর্যা, খেলাধুলা, রান্না যে যা করতে পছন্দ করেন তাতে মনোনিবেশ করতে পারেন।

৬। সর্বপরি, সারাক্ষণ সোস্যাল মিডিয়ায় বা টেলিভিশনে করোনা সম্পর্কিত সংবাদ দেখা কমাতে হবে। আপনি যদি দিনের বেশিরভাগ সময় এতে ব্যয় করেন তবে আপনি উদ্বেগ কমাতে পারবেন না। তাই এগুলোতে ব্যস্ত না থেকে বা করোনা সম্পর্কিত সংবাদগুলো বেশি মাত্রায় না দেখে উপরে উল্লেখিত কাজগুলো করলে আশা করি আমাদের সকলের মানসিক স্বাস্থ্য অটুট থাকবে এবং এই সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আমাদেরকে শক্তি যোগাবে।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Courtesy – rigingbd.com

The post করোনাকালে মানসিক স্বাস্থ্য অটুট রাখবেন যেভাবে appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5/feed/ 0
এন ৯৫ মাস্ক ও সার্জিক্যাল মাস্ক https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a7%af%e0%a7%ab-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a7%af%e0%a7%ab-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2/#respond Fri, 17 Apr 2020 12:35:25 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1523 কেউ হাঁচি দিলে, কথা বললে, থুথু ফেললে ওই ভাইরাস যেন আপনার শরীরে প্রবেশ করতে না পারে,তার জন্য যেকোনো ধরনের মাস্ক ব্যবহার জরুরি।  সার্জিক্যাল মাস্ক, ঘরে তৈরি মাস্ক নাকি এন-৯৫ মাস্ক করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বেশি কার্যকর, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আমরা প্রায় সবাই এখন মাস্ক ব্যবহার করছি। কোন মাস্ক আমাদের জন্য সঠিক …

The post এন ৯৫ মাস্ক ও সার্জিক্যাল মাস্ক appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
কেউ হাঁচি দিলে, কথা বললে, থুথু ফেললে ওই ভাইরাস যেন আপনার শরীরে প্রবেশ করতে না পারে,তার জন্য যেকোনো ধরনের মাস্ক ব্যবহার জরুরি। 

সার্জিক্যাল মাস্ক, ঘরে তৈরি মাস্ক নাকি এন-৯৫ মাস্ক করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বেশি কার্যকর, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আমরা প্রায় সবাই এখন মাস্ক ব্যবহার করছি। কোন মাস্ক আমাদের জন্য সঠিক তা জানাটা জরুরী।

এন-৯৫ মাস্ক হলো মূলত চিকিৎসা কর্মীদের ব্যবহার করার মাস্ক, যা বাতাসের  ৯৫ শতাংশ ক্ষুদ্র কণা আটকে রাখতে সক্ষম। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে বিশেষ যেসব মাস্ক তৈরি হয়, আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিটিউট অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (এনআইওএসএইচ) সেগুলোকে ‘এন’, ‘আর’, ‘পি’- এই তিনটি ভাগে ভাগ করে। ‘এন’ মানে নট অয়েল রেজিস্ট্যান্ট টু অয়েল, ‘আর’ মানে রেজিস্ট্যান্ট টু অয়েল, ‘পি’ মানে অয়েল প্রুফ। সেই হিসেবে এন-৯৫, আর-৯৫ ও পি-৯৫, এন-৯৯, আর-৯৯, পি-৯৯, এন-১০০, আর-১০০ ও পি-১০০ ক্যাটেগরির মাস্ক তৈরি হয়।

যেহেতু এন-৯৫ মাস্ক চিকিৎসা কর্মীদের মাঝে বেশি প্রচলিত, তাই করোনার বিস্তারে সাধারণ মানুষও এই মাস্ক কেনা শুরু করলে আমেরিকায় এই মাস্কের সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থায় আমেরিকার সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল প্রতিষ্ঠানটি জোর দিয়ে বলেছে, বাইরে যদি কাজের প্রয়োজনে বের হতেই হয়, তাহলে অবশ্যই কাপড়ের তৈরি মাস্ক পরে বের হলেই ভালো। এন-৯৫ মাস্ক শুধু ডাক্তার ও চিকিৎসা কর্মীদের জন্য, উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি।

এন-৯৫ মাস্ক বনাম সার্জিক্যাল মাস্ক: সার্জিক্যাল মাস্কগুলোর সাথে এন-৯৫ মাস্কের একটা পার্থক্য আছে। আর তা হলো এটি যারা মুখে দেন, তাদের মুখের সাথে খুব আঁটসাঁট হয়ে লেগে থাকে, যাতে বাতাসের কোনো ক্ষুদ্র কণা শরীরে প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়া আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর তথ্যমতে, এন-৯৫ মাস্কও রোগ জীবাণু পুরোপুরি ঠেকাতে পারে না। আর এই মাস্ক বা অন্য সার্জিক্যাল মাস্ক রিইউজ করা যায় না।

আরেকটি জরুরি বিষয় হলো- যেসব রোগী জটিল শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা বা হৃদরোগে ভুগছেন, তাদের জন্য এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এই মাস্ক ব্যবহার করলে উল্টো ওই রোগীর শ্বাস নিতে আরো জটিলতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া এন-৯৫ মাস্ক চিকিৎসা কর্মী আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা, যেখানে ভবন বা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে, সেই এলাকায় কাজ করা লোকদের ব্যবহার করার জন্য তৈরি করা হয়। তাই বাইরে খুব প্রয়োজনে বের হলে সাধারণ মাস্ক পরে বের হওয়াই উচিত। কারণ করোনা ভাইরাস বাতাসে ভেসে বেড়ায় ৩০ মিনিটের মতো। কেউ হাঁচি দিলে, কথা বললে, থুথু ফেললে ওই ভাইরাস যেন আপনার শরীরে প্রবেশ করতে না পারে, সে চেষ্টা করতেই যেকোনো ধরনের মাস্ক ব্যবহার জরুরি। 

The post এন ৯৫ মাস্ক ও সার্জিক্যাল মাস্ক appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%8f%e0%a6%a8-%e0%a7%af%e0%a7%ab-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/ 0
করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে জানাবে স্মার্টফোন https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d/#respond Sat, 11 Apr 2020 20:37:10 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1447 অ্যাপল ও গুগল যৌথভাবে একটি প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেবে স্মার্টফোন। প্রযুক্তি বিশ্বের এই দুই মহারথির যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কোনও অ্যাপস ডাউনলোড ছাড়াই একজন ব্যবহারকারী এই সেবা নিতে পারবেন। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইতমধ্যে …

The post করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে জানাবে স্মার্টফোন appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
অ্যাপল ও গুগল যৌথভাবে একটি প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেবে স্মার্টফোন। প্রযুক্তি বিশ্বের এই দুই মহারথির যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কোনও অ্যাপস ডাউনলোড ছাড়াই একজন ব্যবহারকারী এই সেবা নিতে পারবেন। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইতমধ্যে এই প্রযুক্তি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডাটা প্রটেকশন সুপারভাইজারও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

এই উদ্যোগ নিয়ে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কাজ করছে গুগল। তবে শুক্রবারের আগে তা প্রকাশ করা হয়নি। এই উদ্যোগ সফল হলে বহু দেশের লকডাউন প্রত্যাহার ও সীমান্তে কড়াকড়ি শিথিলের জন্য সহায়ক হবে।

অ্যাপল ও গুগলের বিশ্বাস, স্বেচ্ছায় এই প্রযুক্তি গ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করা যাবে। ব্যবহারকারীর কন্ট্রাক ট্রেসিং (যোগাযোগ শনাক্ত) পদ্ধতিতে ব্যবহার হবে স্মার্টফোনের ব্লুটুথ সিগনাল। এর মাধ্যমেই সম্প্রতি ব্যবহারকারীকে আক্রান্তের ঝুঁকিতে ফেলার মতো কাছাকাছি আসা ব্যক্তিকে শনাক্ত করবে ওই প্রযুক্তি। পরে সান্নিধ্যে আসা কোনও ব্যক্তির করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কাছে সংকেত পাঠানো হবে। এই প্রযুক্তিতে কোনও জিপিএস লোকেশন তথ্য বা ব্যক্তিগত তথ্য রেকর্ড করা হবে না।

অ্যাপল ও গুগলের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই উদ্যোগের চূড়ান্ত গুরুত্ব হলো গোপনীয়তা, স্বচ্ছতা ও সম্মতি। আর আগ্রহী অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা এটি কর্মক্ষম করার দিকে তাকিয়ে আছি। অন্যদের বিশ্লেষণের জন্য আমরা আমাদের কাজ খোলামেলাভাবে প্রকাশ করবো।’

আইওএস অপারেটিং সিস্টেসের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান অ্যাপল আর অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নেপথ্যের প্রতিষ্ঠান গুগল। এই দুই অপারেটিং সিস্টেমই বিশ্বের বেশিরভাগ স্মার্টফোনে ব্যবহার হয়।।

সিঙ্গাপুর, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পোলান্ডের মতো কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে মানুষের ফোন ব্যবহার করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সতর্কতা পাঠাচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যম ফ্রান্স, ও জার্মানির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষও নিজস্ব উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিউনিসিপ্যাল সরকার তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করে মানুষকে সতর্ক করছে।

The post করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে জানাবে স্মার্টফোন appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d/feed/ 0
খুনি আবদুল মাজেদ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a6/ https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a6/#respond Wed, 08 Apr 2020 13:21:48 +0000 https://www.mediakhabor.com/?p=1382 জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি আবদুল মাজেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পলাতক আসামিদের একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ। বীরদর্পে ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মাজেদ গ্রেপ্তার হয়ে এই মুহূর্তে কারাগারের ভেতর। বিভিন্ন অপকর্মের হোতা এই মাজেদ জাতীয় চার নেতাকে জেলে হত্যার …

The post খুনি আবদুল মাজেদ appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি আবদুল মাজেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পলাতক আসামিদের একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ। বীরদর্পে ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মাজেদ গ্রেপ্তার হয়ে এই মুহূর্তে কারাগারের ভেতর। বিভিন্ন অপকর্মের হোতা এই মাজেদ জাতীয় চার নেতাকে জেলে হত্যার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

সোমবার দিবাগত রাতে তাকে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে ১১ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপপরিদর্শক (SI) আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ‘নিয়মিত টহলদারির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে গাবতলি বাসস্ট্যান্ডের সামনে দিয়ে সন্দেহজনকভাবে রিকশায় করে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তিকে থামান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি নিজের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেন এবং বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।

জিজ্ঞাসাবাদে মাজেদ আরও স্বীকার করে, গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য ভারত-সহ বিভিন্ন দেশে আত্মগোপন করে ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর আরও কয়েকজন খুনির সঙ্গে ব্যাংকক হয়ে লিবিয়া চলে যান মাজেদ। এরপর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান তাঁকে সেনেগালের দূতাবাসে বদলি করেন। সেখান থেকে ১৯৮০ সালে দেশে ফিরে আসার পর মাজেদকে বিআইডব্লিউটিসিতে চাকরি দেন জিয়া। সেসময় উপসচিব পদমর্যাদায় তিনি চাকরি করেন। আর সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। পরে তিনি সচিব পদে পদোন্নতি পান। সেখান থেকে যুব উন্নয়ন মন্ত্রকে পরিচালক পদে যোগদান করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামি লিগ সরকার ক্ষমতা দখল করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করে। পরিস্থিতি খারাপ বুঝে আত্মগোপন করেন মাজেদ। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ক্যান্টনমেন্টের আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন। তাঁর চার কন্যা ও এক ছেলেও রয়েছে।

আবদুল মাজেদ

আবদুল মাজেদের গ্রামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বাটামারা গ্রামে। তার বাবার নাম আলী মিয়া চৌধুরী, মায়ের নাম মেহেরজান বেগম।

আবদুল মাজেদ চার কন্যা সন্তান ও এক পুত্র সন্তানের জনক। আবদুল মাজেদের পরিবার বর্তমানে ঢাকা সেনানিবাসের ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন।

কোথায় ছিলেন মাজেদ

প্রায় ২৫ বছর ভারতের কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন আবদুল মাজেদ। চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে তিনি দেশে ফেরেন। তবে কীভাবে তিনি দেশে ফিরলেন এবং এরপর গত কয়েকদিন তিনি কোথায় ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

১৫ আগস্টে ভূমিকা

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন মাজেদ। তখন তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপুর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর মাজেদ কর্নেল (অব.) সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খানসহ আরো কয়েকজনের সঙ্গে রেডিও স্টেশন নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্বে ছিলেন। অন্য খুনিদের সঙ্গে দেশত্যাগের আগ পর্যন্ত বঙ্গভবনে ‘বিভিন্ন দায়িত্ব’ ছিল তার। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যাংকক হয়ে লিবিয়ায় চলে যান মাজেদ। তখনকার সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের নির্দেশেই তারা সে সময় নিরাপদে দেশ ছেড়ে যান বলে উল্লেখ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

আবদুল মাজেদ হলেন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় পলাতক ছয় খুনির মধ্যে একজন। পলাতক বাকি পাঁচ খুনি হলেন আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন।

জেলে জাতীয় চারনেতার হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন এই ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ। জেলহত্যা মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকন্ডের পর পুরস্কৃত হয়েছিলেন মাজেদ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী অফিসারদের সঙ্গে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের আদেশে বাংলাদেশ থেকে ব্যাংকক হয়ে লিবিয়ায় যান। সেখানে তিনি ক্যু করা অফিসারদের সঙ্গে প্রায় তিন মাস থাকেন। সে সময়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান ক্যু করা অফিসারদের হত্যাকাণ্ডের পুরস্কার স্বরূপ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে বৈদেশিক বদলির ব্যবস্থা করেন, তারই অংশ হিসেবে ক্যাপ্টেন মাজেদকে পুরস্কার হিসেবে সেনেগাল দূতাবাসে বদলির আদেশ দেন। পরে ১৯৮০ সালের ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান সরকার ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে বিআইডব্লিউটিসিতে চাকরি দেন এবং উপসচিব পদে যোগদানের সুবিধার্থে সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে মাজেদ অবসর গ্রহণ করেন। পরে তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

এরপর তিনি মিনিস্ট্রি অব ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টে ডাইরেক্টর ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট পদের জন্য আবেদন করেন এবং ওই পদে যোগদান করেন। সেখান থেকে তিনি ডাইরেক্টর অব হেড অব ন্যাশনাল সেভিংস ডিপার্টমেন্টে বদলি হন।

বিচার শুরু

সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল দায়মুক্তির অধ্যাদেশের মাধ্যমে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর বিচারের পথ খোলে। মামলার পর বিচারও শুরু হয়। সে সময় আটক হওয়ার ভয়ে আত্মগোপনে যান আবদুল মাজেদ।

এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় গেলে ফের বন্ধ হয়ে যায় বিচার প্রক্রিয়া। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।

রায় কার্যকর কীভাবে

মঙ্গলবার মাজেদকে গ্রেপ্তার করার পর সন্ধ্যায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘এখন ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করার জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই রায় কার্যকর করা হবে।’

আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় বহু বছর আগেই পেরিয়ে যাওয়ায় সেই সুযোগ আর মাজেদ পাবেন না। তবে সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার সুযোগ তার থাকবে। সেই আবেদন তিনি না করলে বা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে সরকার এই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারবে।

অন্য আসামিরা সর্বোচ্চ সাজার আদেশ পাওয়া আসামিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার), এ কে বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিনের (আর্টিলারি) ফাঁসি কার্যকর করা হয় ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি।

খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান এখনও পলাতক।

courtesy – https://www.risingbd.com/

The post খুনি আবদুল মাজেদ appeared first on মিডিয়া খবর.

]]>
https://www.mediakhabor.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a6/feed/ 0