Categories
অনুষ্ঠান টেলিভিশন

না ফেরার দেশে টিভি ব্যক্তিত্ব মোস্তফা কামাল সৈয়দ

না ফেরার দেশে চেলে গেলেন টিভি ব্যক্তিত্ব মোস্তফা কামাল সৈয়দ। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আজ দুপুর দেড়টায় মোস্তফা কামাল সৈয়দ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ খবর প্রকাশের পর বিভিন্ন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। শোক নামে এনটিভি পরিবারে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে তাঁর জানাজা হয়। এরপর ৬টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় তাঁর সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বনামধন্য টিভি প্রযোজক, নাট্য নির্দেশক, অভিনেতা, আবৃত্তিকার ও পরিচালক হিসেবেও পরিচিতি ছিল মোস্তফা কামাল সৈয়দের। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) উপমহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্ত্রীসহ এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী কণ্ঠশিল্পী জিনাত রেহেনা।

মোস্তফা কামাল সৈয়দ কর্মজীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন টিভি চ্যানেলে। ২০০৩ সালে এনটিভির শুরু থেকে তিনি অনুষ্ঠান বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠানপ্রধান ছিলেন। ৫২ বছরের কর্মজীবনে তিনি পাকিস্তান টিভিতেও শীর্ষ পর্যায়ে কাজ করেছেন।

Categories
নিউজ

ঈদের আগেই সংস্কৃতিকর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি

দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিকব্যক্তিত্ব ও জাতীয় ভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ঘোষিত এবং ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত পাঁচ হাজার শিল্পীকে প্রতিশ্রুত আর্থিক সহায়তা,পবিত্র ঈদের পৃর্বেই প্রদানের দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয় সংস্কৃতিকর্মীদের এক বড় অংশই আজ কর্মহীন হয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। এমনি সংকটজনক পরিস্হিতিতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে ঈদের পৃর্বেই তালিকাভুক্ত সকল সংস্কৃতিকর্মীকে প্রতিশ্রুত অর্থ প্রদানের দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতি দিয়েছেন গোলাম কুদ্দুছ – সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট হাসান আরিফ- সাধারণ সম্পাদক সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কামাল বায়েজিদ- সেক্রেটারী জেনারেল বাংলাদেশ গ্রপ থিয়েটার ফেডারেশন, ড, মুহাম্মদ সামাদ- সভাপতি জাতীয় কবিতা পরিষদ তারিক সুজাত- সাধারণ সম্পাদক জাতীয় কবিতা পরিষদ, আহকামউল্লাহ- সাধারণ সম্পাদক, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, নাসির উদ্দিন ইউসুফ – সভাপতি, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, তৌফিক হাসান ময়না সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, মান্নান হীরা – সভাপতি, পথনাটক পরিষদ আহমদ গিয়াস,সাধারণ সম্পাদক পথনাটক পরিষদ। ফকির আলমগীর – সভাপতি, গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ, মানজার চৌধুরী – সাধারণ সম্পাদক গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ, মিনু হক- সভাপতি, নৃত্যশিল্পী সংস্হা, শেখ মাহফুজুর রহমান সাধারণ সম্পাদক, নৃত্যশিল্পী সংস্হা, জামাল আহমেদ – সভাপতি, চারু শিল্পী সংসদ, কামাল পাশা চৌধুরী – সাধারণ সম্পাদক চারু শিল্পী সংসদ এবং রামেন্দু মজুমদার, আতাউর রহমান, মামুনূর রশীদ।

Categories
নিউজ

৩০ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ল কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না

সরকারি-বেসরকারি অফিসে ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে মোট ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই সময়ে ঈদের ছুটি ও অন্যান্য ছুটিও মোট ছুটির মধ্যে পড়বে। এবারের ছুটি নিয়ে গত ২৬ মার্চ থেকে মোট সাত দফায় ছুটি বাড়ানো হলো।

ছুটির প্রজ্ঞাপনে জানান হয়েছে, সাধারণ ছুটিকালীন কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। এ ছাড়া ছুটির সময় জনসাধারণ ও সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্য বিভাগের জারি করা নির্দেশনা (স্বাস্থ্যবিধি) কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

তবে সব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অফিসগুলো প্রয়োজন অনুসারে খোলা রাখবে। একই সঙ্গে তাদের অধিক্ষেত্রের কাজ পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। আর কর্মকতা-কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরাসহ ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের দেওয়া ১৩ দফা নিদেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

ছুটিতে রমজান, ঈদ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা বিবেচনায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অবশ্য ব্যাংক এখন খোলা। স্বাভাবিক লেনদেন হয় বেলা আড়াইটা পর্যন্ত।

জরুরি সেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাক-সেবা এবং সংশ্লিষ্ট সেবাকাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকবেন। সড়ক ও নৌপথে সব ধরনের পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল ইত্যাদি) চলাচল অব্যাহত থাকবে।

এ ছাড়া কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ছুটি প্রযোজ্য হবে না।

চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কের কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবেন।

এবারও আগের মতো বলা হয়েছে, ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিসহ সব কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। অবশ্য গত ২৬ এপ্রিল থেকেই রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা চালু হয়েছে।

আর পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে শিল্পকারখানা, কৃষি ও উৎপাদন এবং সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করা হবে।

সাধারণ ছুটির সময় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। অবশ্য আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে স্কুল ও কলেজে ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি।

Categories
নিউজ

৩০ টাকার আকাশ

“মা বলেছিল, ‘বাবা এখানে থাক আমি খাবার নিয়ে আইতাছি। একদম ছোটাছুটি করবি না, বসে থাক। আমি যাব আর আসব।’ সেই মা ৪ বছর হয়ে গেল আজো আসেননি। আমি মায়ের কথা শুনেছি, এই স্টেশনেই পড়ে আছি। কত খুঁজে’ছি, মার দেখা আর পাইনি।”
এটা সিনেমার গল্প নয়, ৮ বছর বয়সী এক কিশোরের জীবনের গল্প। ছেলেটির নাম আকাশ। দিনাজপুর রেলস্টেশন তার একমাত্র ঠিকানা। ৪ বছর আগে খাবার কিনতে যাওয়ার ছ’লনা করে অন্য পুরুষের হাত ধ’রে চলে গেছেন মা, আর দেখা মেলেনি। বাবা থেকেও নেই। আকাশকে একদম স’হ্য করতে পারেন না তিনি। তাকে ছেলে হিসেবে মেনে নিতে চান না। পারলে গায়ে হাত তু’লে। নতুন বউ বাচ্চা নিয়ে সংসার পেতে সুখেই আছেন বাবা।

আকাশের একমাত্র আপনজন বৃদ্ধা নানি। দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় থাকেন তিনি, কিন্তু নিজেরই মুমূর্ষু অবস্থা। তার সাথেও কোনো যোগাযোগ নেই। সেই নানি বেঁচে আছে, না মরে গেছে তাও জানে না আকাশ। ‘আমি এত ছোট, আমি কি এত দূর যেতে পারি?’
সকালে ১০ টাকার ডাল পরোটা, আর রাতে ২০ টাকার সবজী ভাত এই তার খাবারের তালিকা। এতেই তার সুখ। সেটাও কোনো কোনো দিন জোটে না। কারণ সামান্য এই ৩০ টাকা জোগাতে তাকে যে ৩০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে হাত পাততে হয়। ‘কেউ দেয়, কেউ দেয় না। আবার ভালো মানুষেরা বেশি দেয়। গল্প করে’, বলে সে।

টাকা সে জমায় না, জমিয়ে কোথায় রাখবে! যা করবে তাও জানে না। তাই ৩০ টাকা জোগাড় কর‍তে পারলে সেদিন আর কোনো টেনশন নাই। আর কারো কাছে টাকা চায় না। এত টাকা দিয়ে কী করবে সে! ৩০ টাকাই তার প্রতিদিনের স্বপ্ন।

বলতে গেলে ট্রেনই তার সবথেকে আপন। ট্রেনের সাথে নিবিড় সখ্যতা, মনের সুখে ট্রেনের এ-বগি ও-বগি ঘু’রে বেড়ানোতেই তার বিশ্ব ভ্রমণের সুখ। ঘুমাতে যাওয়া আর ঘুম থেকে তুলে দেওয়া সব কাজই করে ট্রেন। রাতে ঢাকাগামী ট্রেনটা চলে যাওয়ার পর প্ল্যাটফর্ম যখন সম্পূর্ণ ফাঁকা আর নিস্তব্ধ হয়ে যায়, তখন সে ঘুমায়। আর সেই ঘুম ভাঙে ওই সকালে ট্রেনের হুইসেলে। অভিভাবকহীন আকাশের ট্রেনই যেন একমাত্র অভিভাবক। আকাশের সব চেয়ে ভালো লাগে চাঁদ। ‘কী সুন্দর জ্বলে! আর সকালে জ্বলে সূর্য।’

অবুঝ এই ছেলের জীবন-জীবিকা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ভাবনা নেই। যেভাবেই যাক যেন দিনটা কে’টে যায়। তবে, শুধু দিন যে কেটে যায় তা নয়, জীবন নামের অভি’জ্ঞতার ঝুড়িটাকেও ভারী করে দেয়। শুধু তার নিজস্ব একটা ঠিকানা হয় না। আপন বলে কেউ রয়ে যায় না। সমস্ত কিছু যেন হারিয়ে যায়। কোনো একজন গত শীতে বুট জুতা, মোটা জ্যাকেট আর স্যুট (ফুল পান্ট) কিনে দিয়েছিল। সেগুলোও হারিয়ে গেছে। তার প্রশ্ন ‘আমার সব কিছু খালি হারায় যায় কেন?’

এখন তার সম্বল শুধু পরনের বিবর্ণ হাফ পান্ট, ময়লা টি-শার্ট আর এক জোড়া বার্মিজ সেন্ডেল।

কিন্তু আকাশ কী হারিয়ে ফেলে, নাকি আপনা আপনি সব কিছু হারিয়ে যায়? এই ৮ বছরের জীবনে সব থেকে বড় হারানো বিষয়বস্তু তার পরিচয়টা, সাথে বাবা-মায়ের নাম। কারণ, আকাশের জন্ম নিবন্ধন কার্ড হয়নি। তাই, স্কুলের বেঞ্চে কোনো দিন বসার অনুমতি পায়নি সে। জন্ম নিবন্ধন ছাড়া কোনো স্কুলে ভর্তি নেয়নি তাকে।

তবে সে আরবি হরফ জানে। মায়ের কাছে থাকতে মক্তবে গিয়েছিল। সবকটা হরফ এক নিশ্বাসে বলতে পারে, এটাই তার শিক্ষাগত যোগ্যতা। আকাশ চায় বড় হয়ে পুলিশ হবে। এই যোগ্যতায় আকাশের পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন কি পূরণ হবে? কে নেবে আকাশের স্বপ্ন পূরণের দায়?

হয়তো স্বপ্নটাও তাকে রেখে হারিয়ে যাবে। কিন্তু এত সব অপ্রাপ্তির ভিড়েও তার নাকি কোনো কষ্ট নেই। শুধু মানুষ গায়ে হাত তুললে, আর মাকে কেউ গালাগাল দিলে আকাশের মন খারাপ হয়ে যায়। তখন ভী’ষণ কান্না পায়। একা একা কাঁদে ও। আর মা-বাবার কাছে তার প্রশ্ন, ‘আমার কি কোনো দো’ষ ছিল?’

সূত্র : শিক্ষার্থী, অ্যাগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Collected from facebook post

Categories
নিউজ

৩০ মে পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে আজ বুধবার আদেশ জারি করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

এর আগে সরকার থেকে বলা হয়েছিল, করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এই ছুটি আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে। পূর্বঘোষিত শিক্ষাপঞ্জিতে রমজান, ঈদসহ বিভিন্ন উপলক্ষে মাধ্যমিক স্কুলের ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা আছে। আর এসব উপলক্ষের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপঞ্জিতে কলেজে ছুটি আছে আগামী ১৮ জুন পর্যন্ত। এখন দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হলো।

ছুটির আদেশে বলা হয়েছে, ছুটির সময়ে নিজেদের ও অন্যদের সুরক্ষার জন্য নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধকালে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিয়মতিভাবে সংসদ টিভি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ‌‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ অনুষ্ঠানের শ্রেণিপাঠ গ্রহণ করবে। আর কলেজ পর্যায়ে অধ্যক্ষরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।

Categories
নিউজ

দেশে করোনার ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর দেশের ছয়টি ওষুধ কোম্পানিকে নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর জন্য রেমডেসিভির উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের জন্য এ ওষুধ কার্যকর বলে ইতমধ্যে জানিয়েছে আমেরিকার দ্য ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ( এফডিএ)।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জানা গেছে দেশের ৬টি কোম্পানিকে রেমডেসিভির উৎপাদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস, হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।
ছয়টি কোম্পানির মধ্যে এসকেএফ এবং বেক্সিমকো অ্যাডভান্স পর্যায়ে আছে। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস উৎপাদনের শেষ প্রান্তে আছে, এখনও শেষ হয়নি। আরও কিছুদিন লাগবে। হয়তো আগামী ১৮ থেকে ২০ মে’র মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে। আর খুব তাড়াতাড়ি উৎপাদনে যাবে বেক্সিমাকো ফার্মা, তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাকিরা প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্টের চেষ্টা করছে। কেউ কাঁচামাল সোর্সিং করছে।

অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির একসময় ইবোলাতে ব্যবহার হতো। এখন ‘ইমার্জেন্সি অথোরাইজেশন’ দিয়েছে আমেরিকার দ্য ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। কারণ এ ওষুধ করোনাতে কার্যকর বলে তাদের কাছে তথ্য-উপাত্ত আছে, যার প্রেক্ষিতে তারা এই ইমার্জেন্সি অথোরাইজেশন দিয়েছে।

Categories
নিউজ

১৬ মে পর্যন্ত বাড়ছে ছুটি

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে সাধারণ ছুটির মেয়াদ। এ নিয়ে ছয় দফায় ছুটি বাড়ছে। আজ শনিবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ছুটির প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। তাঁরা অবশ্য ১৫ মে পর্যন্ত প্রস্তাব করেছেন। তবে পরদিন শনিবার এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আগামীকাল রোববার বা পরদিন সোমবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

Categories
নিউজ

কাউকে না পেয়ে কাউন্সিলর মুখাগ্নি ও সৎকার সম্পন্ন করলেন

কেরোনায় মৃত খোকন সাহার সম্প্রদায় কিংবা তার স্বজনরা কেউ না আসায় পরিবারের অনুমতি নিয়ে তার মুখাগ্নি ও সৎকার সম্পন্ন করলেন কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ও তার সঙ্গীরা।

নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী খোকন সাহা, ৭ তলার ফ্ল্যাট ভবনের মালিক, ৭ বন্ধু মিলে এই ফ্ল্যাট বাড়িটি তৈরি করেছেন। ওই ভবনের ৪ তলাতে তিনি স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়ে নিয়ে বসবাস করতেন। বিত্ত বৈভব ধনসম্পত্তির কমতি নেই। রবিবার শারীরিক অবস্থা যখন প্রচন্ড খারাপ হয় তখন আশপাশের ফ্ল্যাটে থাকা উনার সেই বন্ধুদের এবং পরিচিত আত্মীয় স্বজনদের ডেকেছিলেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করতে। কিন্তু কেউ আর তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি।

স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়েই খোকন সাহাকে কোনো একটা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে নামিয়ে আনছিলেন। সেইসময় নামানোর পথে সিঁড়িতেই তিনি মারা যান। এরপরও কেউ এগিয়ে আসেনি। করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ খোকন সাহার মরদেহ সিঁড়িতেই পড়েছিল। কেউ একবারের জন্যও ছুঁয়ে দেখেনি। এমনকি স্ত্রী-কন্যার কান্নায়ও মন গলেনি কারো। বেলা ১২ টার দিকে খবর পেয়ে খোকন সাহার মরদেহ সংগ্রহ করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তিনি ও তাঁর দলের লোকজন খোকন সাহার সৎকার সম্পন্ন করেন। মৃতের সম্প্রদায় কিংবা তার স্বজনরা কেউ না আসায় পরিবারের অনুমতি নিয়ে খোকন সাহার মুখাগ্নির কাজটিও করেন মাকসুদুল আলম খন্দকার নিজেই। করোনা ভাইরাস শুধুমাত্র মানুষের স্বার্থপরতার দিকটি উন্মোচন করেনি, মাকসুদুল আলম খন্দকারের মতো কিছু পূর্ণাত্মাকেও খুঁজে পেতে সহযোগিতা করেছে। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শ্রদ্ধা আপনার জন্য।।

নিলয় চক্রবর্তী। ( https://www.facebook.com/profile.php?id=100031301378471 )
২৭শে এপ্রিল ২০২০ ইং।।

Image may contain: 1 person
Image may contain: 1 person
Categories
নিউজ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ হতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

আমরা এখন স্কুল–কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলব না। অন্তত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল–কলেজ সবই বন্ধ থাকবে, যদি করোনাভাইরাস অব্যাহত থাকে। যখন এটা থাকবে না, তখনই খুলব। আজ সোমবার গণভবন থেকে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কিছু জীবনযাপন আমাদের আস্তে আস্তে উন্মুক্ত করতে হবে। সেখানেও সবাই নিজেকে সুরক্ষিত রেখেই কাজ করবে। যেসব জায়গায় করোনাভাইরাস বেশি দেখা দেয়নি, ধীরে ধীরে সেই জায়গাগুলো শিথিল করে দিচ্ছি। যাতে মানুষের স্বাভাবিক জীবন অব্যাহত থাকে। তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সারা বিশ্ব স্তব্ধ। এই ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত সংক্রামক একটা ব্যাধি। কার যে কখন হবে, বোঝা যায় না। এই দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। যারা ভাইরাস মোকাবিলায় কাজ করছে, তাদের সহযোগিতা করতে হবে।

শেরপুর জেলার ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন ভিক্ষুক ভিক্ষা করে ১০ হাজার টাকা জমা করেছিল নিজের ঘর ঠিক করার জন্য। ছেঁড়া একটি পাঞ্জাবি গায়ে। ঘরে খাবারও ঠিকমতো নেই। কিন্তু তারপরও সেই মানুষ ওই ১০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন করোনাভাইরাসে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের সাহায্যের জন্য। আমি মনে করি, সারা বিশ্বে এটা মহৎ দৃষ্টান্ত তিনি সৃষ্টি করেছেন। এত বড় মানবিক গুণ আমাদের অনেক বিত্তশালীর মাঝেও দেখা যায় না। কিন্তু একজন নিঃস্ব মানুষ, যাঁর কাছে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই টাকা দিয়ে তিনি অনেক কিছু করতে পারত। কোনো চিন্তা সে করেনি। সেটা তিনি দান করেছেন। এই যে একটা মহৎ উদারতা দেখালেন, বাংলাদেশের মানুষের মাঝে এখনো এই মানবিক বোধটা আছে। কিন্তু সেটা আমরা পাই, যাঁরা নিঃস্ব তাঁদের কাছে। অনেক সময় দেখি, অনেক বিত্তশালী অনেক হা-হুতাশ করেই বেড়ান। কিন্তু তাঁদের নাই নাই অভ্যাসটা যায় না। তাঁদের চাই চাই ভাবটা সব সময় থেকে যায়।’

যাঁরা হাত পেতে চাইতে পারেন না, তাঁদের আলাদা করে তালিকা করতে হবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের জন্যও কার্ড করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া সামনে ঈদ রেখে আরও এক দফা ত্রাণসহায়তা দেওয়া হবে।


প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন খাতে প্রণোদনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যাঁরা ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেছেন, কিন্তু এই ভাইরাসের কারণে এই সময়ে ঋণের সুদ বেড়ে গেছে বলে চিন্তা করবেন না।

Categories
নিউজ

শিল্পীকে বাঁচাতে সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি

সঙ্গীত জগতের শিল্পীদের সহায়তার জন্য গঠিত হল সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি, Save The Bangladesh Music Industry (SBMI)

সঙ্গীত শিল্পী, মিউজিসিয়ান, সুরকার, গীতিকার, মিউজিক ডিরেক্টর/ কম্পোজার, সাউন্ড লাইট টেকনিশিয়ান সহ সঙ্গীত জগতের সকলের সহায়তার জন্য সরকারের সাথে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে গঠিত হল সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি । সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক সালমান মাহমুদ জানান শিল্পীদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য সঙ্গীতার কর্ণধার সেলিম খান, আতিক ডালিম, ফারহাতুল জান্নাত ও আমি এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করে প্রাথমিক কাজ শুরু করি এবং সেলিম খানকে আহবায়ক করে সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। ধীরে ধীরে সকলকে নিয়ে আমাদের কাজকে সামনে এগিয়ে নিযে যাব।

বিশ্বব্যাপী অদৃশ্য কোভিট- ১৯ করোনা ভাইরাস মহামারীতে রুপান্তরিত হওয়ার কারণে থমকে গেছে বাংলাদেশ। দিন দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার। যার প্রতিকার হিসেবে সচেতনতা এবং নিরাপদে থাকার জন্য সরকার ঘোষিত লকডাউন চলছে। এই পরিস্থিতিতে সঙ্গীত জগতের অনেকেই আর্থিক ভাবে খুব খারাপ অবস্থানে আছেন যারা মুখ ফুটে বলতে পারছেন না। সকল অনুষ্ঠান এবং কাজ বন্ধ হওয়াতে সঙ্গীত নির্ভর পরিবারগুলোর সংসার চালানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

সেভ দ্যা বিডি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির সদস্য সচিব আতিক ডালিম মিডিয়া খবরকে জানিয়েছেন ভবিষ্যতে করোনার এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিল্পীদের জীবনসংসারের ঘানি টানা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তাদের কথা ভেবে জরুরী ভিত্তিতে এই সংকট থেকে কিছুটা উত্তরণের জন্য সরকারি উচ্চ মহলের সাথে কাজ করা ও শিল্পীদের জন্য সহযোগিতা আদায়ে ভুমিকা রাখার জন্য আমরা SBMI একটি আহবায়ক কমিটি দাড় করিয়েছি।

তিনি আরো জানান SBMI থেকে আহবান জানান হয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতের যারা কমিটির সাধারণ সদস্য হতে ও অনুদান পেতে ইচ্ছুক তারা যেন রবিবার ২৭ এপ্রিল ২০২০ এর মধ্যে তাদের বিস্তারিত তথ্যাবলী পাঠিয়ে দেন। নিচে দেয়া হল যে ভাবে তথ্যাবলি দিতে হবে।

নামঃ
পিতাঃ
মাতাঃ
পেশাঃ অবশ্যই সংগীত বিষয়ক যে কোন মাধ্যম
(সুরকার/গীতিকার/শিল্পী/যন্ত্রী/মিউজিশিয়ান/কম্পোজার/লাইট ও সাউন্ড টেকনিশিয়ান)
আপনার পেশা সঠিক ভাবে লিখুন
ঠিকানা স্থায়ীঃ
ঠিকানা বর্তমানঃ
ভোটার আইডি/ জন্ম নিবন্ধনঃ
ই মেইল আইডিঃ
মোবাইল নাম্বার ও বিকাশ নাম্বারঃ
অথবা
ব্যাংক একাউন্ট নম্বরঃ

তালিকাভুক্তির জন্য উপরোক্ত ক্রাইটেরিয়াগুলো বাংলায় লিখে আতিক ডালিম – 01924781636 ও ফারহাতুল জান্নাত 01712222736 এ দুটো নম্বরের যে কোন একটিতে পাঠিয়ে দেবার অনুরোধ করা হয়েছে।