Categories
সঙ্গীত

করোনার দিনগুলি নিয়ে সাজেদ ফাতেমীর গান

করোনার দিনগুলি নিয়ে সাজেদ ফাতেমী গাইলেন গান। করোনা নিয়ে তার বন্ধু মোহাম্মদ ইলতেমাস ফেসবুকে একটি কবিতা প্রকাশ করেছিলেন। তার অনুমতি নিয়ে কবিতাটিতে একটি সহজ সুর দিয়ে মোবাইলে রেকর্ড করলেন।

তারপর ফাতেমীর ব্যান্ড নকশীকাঁথার সদস্য রোমেল মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে একটি ডামি কম্পোজিশন করে। সেই কম্পোজিশনের ওপর মোবাইলে ভিডিও করে মাত্র ১০ মিনিটে এডিট করে সাজেদ ফাতেমীর মেয়ে রোদসী। তারপরে তিনি গানটি তার ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। বলিষ্ঠ গায়কীর গানটি শুনে আপনার ভাল লাগবে।

Image may contain: 1 person

সাজেদ ফাতেমী ফেসবুকে গানটি নিয়ে লেখেন- একটি গান পরিপূর্ণ কম্পোজিশন করতে যে শ্রম ও সময় দিতে হয়, এই গানের জন্য তার বড়জোর ১০ ভাগ দিতে পেরেছি। ফাইনাল ভয়েসও দেয়া হয়নি। সবাই বন্দী থাকার কারণে এভাবেই করতে হলো ।

কাজেই বন্ধুদের কাছে অনুরোধ, গানটিতে খুঁত না ধরে আপনাদের জন্য ভালোবাসা খুঁজে নিন।

https://www.facebook.com/sajed.fatemi/videos/10157299080099385/
কঠিন সময় আজকে তোমায় ডাকে
সঙ্গনিরোধ নাম দিয়েছ যাকে।
মিথস্ক্রিয়ায় দিচ্ছ কি না আড়ি?
নইলে ঘাতক আসবে তোমার বাড়ি।।

রোনাজারি বিফল হবে শুধু
সামলে রাখো মনের আজব খেয়াল
জগৎ কি চাও মানববিহীন ধূ ধূ! 
ভাঙো মেকি ভালোবাসার দেয়াল।।

না নাই বা হলো বসন্তদিন যাপন
ঝরাপাতায় লগ্ন আঁকি নেবার
থাকুক হিসেব কে পর কে-বা আপন 
সভ্যতারই ভীষণ অসুখ এবার।। 

নকশীকাঁথা ব্যান্ডের ভোকাল, লোকগানের গবেষক, সাংবাদিক ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডিরেক্টর সাজেদ ফাতেমীর বাড়ি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মদনপুর গ্রামে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম এ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তির পরপরই জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সঙ্গে জড়িত হন সাজেদ ফাতেমী। থিয়েটারের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে একে একে ১৭ টি মঞ্চ নাটকে অভিনয় করা ও তিনটি নাটকের নির্দেশনা দেওয়ার সুযোগ পান। মঞ্চে গান গাওয়া শুরু সপ্তম শ্রেণীতে থাকতে। গান শিখেছেন স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটকের পাশাপাশি গানও গাওয়া হতো নিয়মিত। তৃতীয় বর্ষে থাকতে সাংবাদিকতা শুরু করেন তিনি। সাংবাদিকতা করেছেন প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকালসহ দেশের প্রথম সারির ছয়টি দৈনিক পত্রিকায়। পাশাপাশি ২০০৭ সালে তাঁর গড়া লোকগানের দল নকশীকাঁথা নিয়ে দেশ–বিদেশে গান করে।